ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজার সমিতি কাতারের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান লোহাগাড়ায় পেয়ারার প্রলোভনে ৫ বছরের কন্যাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ : ৫৫ বছরের বৃদ্ধ আটক শিক্ষার মানোন্নয়নে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতায় প্রার্থী হতে পারিনি, সহকর্মীদের পাশে থাকবো-উখিয়া প্রেসক্লাবের ৩ বারের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার মগনামায় বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বাকবিতন্ডা- হট্টগোল বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মানের বাংলাদেশ-জাপান যৌথ উদ্যোগ পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির মোবাইলে পর্ণ ভিডিও পাওয়ায় ১৪ দিনের কারাদন্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় যুবদলের প্রস্তুতি সভা কক্সবাজারে পালং সার্ভিসের গাড়ি থেকে ২৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ সালমান হত্যা মামলা : নিহত রাশেদের ২ ভাইসহ ৮ আসামী সৈকতের বালিয়াড়ি নষ্ট করে সড়ক নির্মাণ, কাজ বন্ধ চায় বিআইপি জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার প্রধান আসামি খুরুশকুলের আরিফ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার কক্সবাজারে গ্রিন ট্যুরিজম বাস্তবায়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময় সভা সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া

“জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই”: সেন্টমার্টিনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

  • নোমান অরুপ:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 364

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উপকূলীয় পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্টমার্টিন পৌঁছে সবুজায়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

এ-সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সেন্টমার্টিনের মতো সংবেদনশীল প্রবাল দ্বীপে পরিবেশ রক্ষা করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে আগামী পাঁচ বছরে। দ্বীপের মানুষের উচিত গাছের পরিচর্যা করা। জীব বৈচিত্র্য রক্ষা যেমন দরকার তেমনি মানুষের স্বাস্থ্য সেবাসহ অন্যান্য যা কিছু জড়িত সব ধরনের গাছকে রোপণ করা হবে।

দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাদেরকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনগণের স্বার্থ দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বের স্বার্থ দ্বীপের অস্তিত্ব সবকিছু নিয়েই সমন্বয় করে পরিকল্পনা করা হবে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন এবং বিজিএস-এর যৌথ উদ্যোগে ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার চারাগাছ রোপণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

​কর্মসূচির আওতায় দ্বীপে আম, পেয়ারা, বহেরা, হরীতকী, নিম, বাতাবি লেবু, কুল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল, সাগর লতা, হরগজা, কেয়া এবং নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে সমুদ্র সৈকত থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

আরো​ উপস্থিত ছিলেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনসাধারণ, পরিবেশকর্মী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কক্সবাজার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সমন্বয় অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক।

​উল্লেখ্য, পরিবেশ সুরক্ষায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গত ৩ বছরে দেশজুড়ে ৩২ লাখ চারা রোপণ করেছে এবং আগামী ৫ বছরে আরও ৭৫ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে সংস্থাটি সারাদেশে ১৫ লাখ এবং কক্সবাজার জেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৭০টি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া

“জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই”: সেন্টমার্টিনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উপকূলীয় পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্টমার্টিন পৌঁছে সবুজায়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

এ-সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সেন্টমার্টিনের মতো সংবেদনশীল প্রবাল দ্বীপে পরিবেশ রক্ষা করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে আগামী পাঁচ বছরে। দ্বীপের মানুষের উচিত গাছের পরিচর্যা করা। জীব বৈচিত্র্য রক্ষা যেমন দরকার তেমনি মানুষের স্বাস্থ্য সেবাসহ অন্যান্য যা কিছু জড়িত সব ধরনের গাছকে রোপণ করা হবে।

দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাদেরকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনগণের স্বার্থ দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বের স্বার্থ দ্বীপের অস্তিত্ব সবকিছু নিয়েই সমন্বয় করে পরিকল্পনা করা হবে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন এবং বিজিএস-এর যৌথ উদ্যোগে ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার চারাগাছ রোপণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

​কর্মসূচির আওতায় দ্বীপে আম, পেয়ারা, বহেরা, হরীতকী, নিম, বাতাবি লেবু, কুল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল, সাগর লতা, হরগজা, কেয়া এবং নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে সমুদ্র সৈকত থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

আরো​ উপস্থিত ছিলেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনসাধারণ, পরিবেশকর্মী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কক্সবাজার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সমন্বয় অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক।

​উল্লেখ্য, পরিবেশ সুরক্ষায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গত ৩ বছরে দেশজুড়ে ৩২ লাখ চারা রোপণ করেছে এবং আগামী ৫ বছরে আরও ৭৫ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে সংস্থাটি সারাদেশে ১৫ লাখ এবং কক্সবাজার জেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৭০টি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে।