ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশ পরিচয়ে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি: চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার চৌফলদণ্ডী ও ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস এমপি কাজলের লালদিঘি পাড় এলাকার ব্যবসায়ী বাহার ছড়ার সৈয়দ সওদাগরের ইন্তেকাল সীমান্তে ইয়াবার সর্ববৃহৎ চালান আটক : ৪২ কোটি টাকার ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ বন্যার্ত ১৪’শ মানুষের পাশে মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল যে কারণে তিন কিশোরের হাতে ফুটবল তুলে দিলেন কুতুবদিয়ার ইউএনও কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ২২ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শোয়াইব, সদস্য সচিব তারেক দাপ্তারিক চিঠিপত্রে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ বাদের সিদ্ধান্ত মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট চকরিয়ায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ: পারভেজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সেনাবাহিনীর ফায়ারিং মহড়ায় দুই সৈনিক নিহত ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য আটক, পরিচয় জানতেন না বাদী এবং ওসি, এপিবিএন অধিনায়ক বললেন জঘন্য কাজ পলিথিন-প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রিট খারিজ, ছবি ছাড়া করা যাবে না জাতীয় পরিচয়পত্র

মাটি খুঁড়ে ফের বিপুল মাদক-অস্ত্র পেলো নৌবাহিনী

টেকনাফে মাটির নিচে সুপরিকল্পিতভাবে পুঁতে রাখা বিপুল পরিমাণ মাদক ও বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সোমবার (৪ মে) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালি এলাকায় একটি ইটভাটায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মাদক ও অস্ত্র জব্দ করা হয়।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ইটভাটার নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাটির নিচ থেকে ৫ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় অভিযানস্থল থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন এবং ৪ রাউন্ড তাজা গুলিও জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় আলিখালি এলাকা থেকে একাধিক অস্ত্র ও মাদক মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি নরুল কবিরকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নৌবাহিনীর দাবি, মাদক ও অস্ত্রগুলো অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে মাটির নিচে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। যা চোরাচালান চক্রের একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দেয়।

টেকনাফ কন্টিনজেন্টের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার বলেন, উদ্ধারকৃত মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি এবং আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তা জানান, উপকূলীয় এলাকা বিশেষ করে টেকনাফ সীমান্তকে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান চালিয়ে আসছে সংঘবদ্ধ চক্রগুলো। এসব চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তারা আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং মাদক-অস্ত্র চোরাচালান রোধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করছে। যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ পরিচয়ে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি: চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার

মাটি খুঁড়ে ফের বিপুল মাদক-অস্ত্র পেলো নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

টেকনাফে মাটির নিচে সুপরিকল্পিতভাবে পুঁতে রাখা বিপুল পরিমাণ মাদক ও বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সোমবার (৪ মে) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালি এলাকায় একটি ইটভাটায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মাদক ও অস্ত্র জব্দ করা হয়।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ইটভাটার নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাটির নিচ থেকে ৫ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় অভিযানস্থল থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন এবং ৪ রাউন্ড তাজা গুলিও জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় আলিখালি এলাকা থেকে একাধিক অস্ত্র ও মাদক মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি নরুল কবিরকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নৌবাহিনীর দাবি, মাদক ও অস্ত্রগুলো অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে মাটির নিচে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। যা চোরাচালান চক্রের একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দেয়।

টেকনাফ কন্টিনজেন্টের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার বলেন, উদ্ধারকৃত মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি এবং আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তা জানান, উপকূলীয় এলাকা বিশেষ করে টেকনাফ সীমান্তকে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান চালিয়ে আসছে সংঘবদ্ধ চক্রগুলো। এসব চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তারা আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং মাদক-অস্ত্র চোরাচালান রোধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করছে। যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।