ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে গর্জনিয়ার কৃষককে অপহরণ : পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কক্সবাজারে হাম রোগ: বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা,ভর্তি ৩৫ শিশু দ্রুত বিচার আদালতে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি-প্রবাসীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার ইয়ুথ ক্রিকেট লীগ উদ্বোধবকালে জেলা প্রশাসক-সরকার ক্রীড়ার উন্নয়নে কাজ করছে গণভোট বাতিল হলে কি সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে? উখিয়ায় বন্দুকসহ কিশোর আটক এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাওয়া যাবে হামের টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ আইনগত হুমকির মুখে পড়বে: শিশির মনির জুবিনের পর রাহুলের পানিতে মৃত্যু, ভাইরাল সেই গান ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক লে. ক. আফজাল নাছের গ্রেপ্তার তেল মজুদ ও পাচারের তথ্য দিলে লাখ টাকা পুরস্কার ৩০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রীর স্নেহের ছায়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি: মির্জা ফখরুল

চিনি নাকি গুড়ের শরবত, ইফতারে কোনটি নিরাপদ?

রমজানে ইফতারে খেজুরের পর সাধারণ বিভিন্ন ধরনের শরবত দিয়ে রোজা ভাঙি আমরা। এ ক্ষেত্রে অধিকাংশই সাদা চিনি দিয়ে শরবত তৈরি করে থাকেন। এছাড়া মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট তৈরিতেও সাদা চিনি ব্যবহার করা হয়।

ইফতারের শরবতে চিনির ব্যবহার নিয়ে বেশ আগে থেকেই প্রশ্ন স্বাস্থ্য সচেতনদের। অধিকাংশ মানুষের জিজ্ঞাসা, ‘চিনি নাকি গুড়ের শরবত, ইফতারে কোনটি নিরাপদ?’

তিনি জানান, মূলত সাদা চিনি শুধু ক্যালরি দেয়। এতে প্রায় কোনো ভিটামিন-মিনারেল থাকে না।

ইসরাত জাহান বলেন, প্রতি ১ চা চামচ সাদা চিনি থেকে ২০ কিলোক্যালরীর মতো এনার্জি পাওয়া যায়। অতিরিক্ত সাদা চিনি ইনসুলিন রেজিসট্যান্স, পিসিওএস পেশেন্ট, ইনফার্টিলিটি পেশেন্ট থেকে ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজনাধিক্যসহ নানা ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ায়।

তাই চিনি বা চিনিজাতীয় খাবারের বিকল্প স্বাস্থ্যকর উপায় জানিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ। তার ভাষ্য, চিনির বিপরীতে আখের বা খেজুরের গুড় সেরা ও ভালো বিকল্প উপায় হতে পারে। গুড়ে সামান্য আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এ জন্য চিনির তুলনায় গুড় কিছুটা ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে বিবেচনায় রাখা উচিত, এটিও মূলত চিনিজাতীয় খাবার—অতিরিক্ত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কারণ, গুড়ের গ্লাইসেমিক প্রভাবও বেশি।

তিনি আরও বলেন, বিশেষত আখের গুড়, খেজুরের গুড়, তালের গুড় তুলনামূলক ভালো। তবে প্রসেসিং ও বাজারজাতকরণ ধাপে ভেজাল উপাদান মিশ্রিত আছে কিনা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য গুড় কেনার আগে সচেতন থাকা ও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যাতে ভেজাল ও রাসায়নিকমিশ্রিত গুড় কেনা না হয়।

পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান দাবি করেন, এসবের মধ্যে খেজুরের গুড় সাধারণত কম প্রসেসড এবং মিনারেল কিছুটা বেশি থাকে। তবে অবশ্যই খাঁটি ও ভেজালমুক্ত গুড় বেছে নিতে হবে।

সবশেষ এ পুষ্টিবিদ বলেন, রমজানে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে ইফতারে অতিরিক্ত চিনি বা গুড়ের শরবতের বদলে মিষ্টি স্বাদের জন্য খেজুর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া লেবু-পানি বা ফলের ডাইলিউটেড জুস গ্রহণ করা যেতে পারে। টক দই বা দইয়ের শরবত, ডাবের পানি, স্যালাইন—এগুলোও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে। এমনকি স্টেভিয়া পাতা ব্যবহার করাও স্বাস্থ্যকর। এক্ষেত্রে স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আসবে।

সূত্র: কালবেলা

ট্যাগ :

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে গর্জনিয়ার কৃষককে অপহরণ : পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

চিনি নাকি গুড়ের শরবত, ইফতারে কোনটি নিরাপদ?

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

রমজানে ইফতারে খেজুরের পর সাধারণ বিভিন্ন ধরনের শরবত দিয়ে রোজা ভাঙি আমরা। এ ক্ষেত্রে অধিকাংশই সাদা চিনি দিয়ে শরবত তৈরি করে থাকেন। এছাড়া মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট তৈরিতেও সাদা চিনি ব্যবহার করা হয়।

ইফতারের শরবতে চিনির ব্যবহার নিয়ে বেশ আগে থেকেই প্রশ্ন স্বাস্থ্য সচেতনদের। অধিকাংশ মানুষের জিজ্ঞাসা, ‘চিনি নাকি গুড়ের শরবত, ইফতারে কোনটি নিরাপদ?’

তিনি জানান, মূলত সাদা চিনি শুধু ক্যালরি দেয়। এতে প্রায় কোনো ভিটামিন-মিনারেল থাকে না।

ইসরাত জাহান বলেন, প্রতি ১ চা চামচ সাদা চিনি থেকে ২০ কিলোক্যালরীর মতো এনার্জি পাওয়া যায়। অতিরিক্ত সাদা চিনি ইনসুলিন রেজিসট্যান্স, পিসিওএস পেশেন্ট, ইনফার্টিলিটি পেশেন্ট থেকে ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজনাধিক্যসহ নানা ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ায়।

তাই চিনি বা চিনিজাতীয় খাবারের বিকল্প স্বাস্থ্যকর উপায় জানিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ। তার ভাষ্য, চিনির বিপরীতে আখের বা খেজুরের গুড় সেরা ও ভালো বিকল্প উপায় হতে পারে। গুড়ে সামান্য আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এ জন্য চিনির তুলনায় গুড় কিছুটা ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে বিবেচনায় রাখা উচিত, এটিও মূলত চিনিজাতীয় খাবার—অতিরিক্ত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কারণ, গুড়ের গ্লাইসেমিক প্রভাবও বেশি।

তিনি আরও বলেন, বিশেষত আখের গুড়, খেজুরের গুড়, তালের গুড় তুলনামূলক ভালো। তবে প্রসেসিং ও বাজারজাতকরণ ধাপে ভেজাল উপাদান মিশ্রিত আছে কিনা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য গুড় কেনার আগে সচেতন থাকা ও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যাতে ভেজাল ও রাসায়নিকমিশ্রিত গুড় কেনা না হয়।

পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান দাবি করেন, এসবের মধ্যে খেজুরের গুড় সাধারণত কম প্রসেসড এবং মিনারেল কিছুটা বেশি থাকে। তবে অবশ্যই খাঁটি ও ভেজালমুক্ত গুড় বেছে নিতে হবে।

সবশেষ এ পুষ্টিবিদ বলেন, রমজানে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে ইফতারে অতিরিক্ত চিনি বা গুড়ের শরবতের বদলে মিষ্টি স্বাদের জন্য খেজুর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া লেবু-পানি বা ফলের ডাইলিউটেড জুস গ্রহণ করা যেতে পারে। টক দই বা দইয়ের শরবত, ডাবের পানি, স্যালাইন—এগুলোও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে। এমনকি স্টেভিয়া পাতা ব্যবহার করাও স্বাস্থ্যকর। এক্ষেত্রে স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আসবে।

সূত্র: কালবেলা