ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম রাজা পালংয়ের প্রয়াত জননেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের সহধর্মিণীর মৃত্যু : জানাজা বুধবার পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ

মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড

কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, ‘মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।’

মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।

মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’

নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম

মারামারির মামলায় সেন্টমার্টিনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দুই বছর কারাদন্ড

আপডেট সময় : ১১:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, ‘মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।’

মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।

মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’

নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।