ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদরাসা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিক্ষককে পিটিয়ে আহত কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার ওভারটেকের সময় ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো সিএনজি, প্রাণ গেল দুই যাত্রীর পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 192

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদরাসা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিক্ষককে পিটিয়ে আহত

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।