ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি হলদিয়ার সেই মিজান এবার ‘ওয়ার্ড প্রশাসক’ হতে লাখ টাকার মিশনে : অভিযোগ অস্বীকার মিজানের কক্সবাজারে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সম্মেলন তরুণদের নেতৃত্বে টেকনাফে অনুষ্ঠিত হলো শান্তি ও সম্প্রীতি মেলা ২০২৬ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য কলাতলীর মেম্বার ঘাটা থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার ৪৫ বছর পর চকরিয়ায় মা-বাবার খোঁজে নেদারল্যান্ডসের সেলিনা নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনেরই বাড়ি চকরিয়ায় বিনা দোষে কাউকে গ্রেফতার না করার অনুরোধ এমপি কাজলের টেকনাফের পাহাড়ে ৩ ম/র/দে/হ গেল কোথায়? ৪ ঘন্টার অভিযানে মিলেনি কিছুই! কক্সবাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারগামী শিক্ষাসফরের বাস পুকুরে, শিক্ষিকাসহ নিহত ২

সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম

দ্বীপে খতনা করার পর অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুদের চিকিৎসা দিয়েছে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কাননের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম সেন্টমার্টিনে পৌঁছে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেয়। এ সময় খতনা করা ১২০ শিশুকে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

৪ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপের অবকাশ রিসোর্টে আল-মোমিন সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং শায়খ মুফতী মাহবূবুল্লাহ কাসেমীর তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ বিতরণ ও শিশুদের সুন্নাতে খতনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী ২১০ শিশুর খতনা করে। পরে শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে মেডিকেল টিমটি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে যায়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কানন বলেন, সেন্টমার্টিনে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশুদের খতনা করা হয়েছিল। বুধবার সকালে সেখানে গিয়ে খতনা করা ১২০ শিশুকে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খতনা করা প্রায় ১০ থেকে ১২ জন শিশুর কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। খতনার পর নিয়ম অনুযায়ী ওষুধ না খাওয়ানো এবং খতনা কার্যক্রমে নিয়োজিতদের অসচেতনতার কারণে এসব সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

ডা. নওশাদ আলম কানন আরও বলেন, ভবিষ্যতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিশুদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিতে হবে। খতনার পর সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়ানো ও ড্রেসিং করা হলে শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো না।
তিনি বলেন, এসব শিশুকে চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেন্টমার্টিনেই দেওয়া সম্ভব।

ট্যাগ :

টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি

সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম

আপডেট সময় : ০৬:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দ্বীপে খতনা করার পর অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুদের চিকিৎসা দিয়েছে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কাননের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম সেন্টমার্টিনে পৌঁছে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেয়। এ সময় খতনা করা ১২০ শিশুকে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

৪ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপের অবকাশ রিসোর্টে আল-মোমিন সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং শায়খ মুফতী মাহবূবুল্লাহ কাসেমীর তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ বিতরণ ও শিশুদের সুন্নাতে খতনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী ২১০ শিশুর খতনা করে। পরে শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে মেডিকেল টিমটি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে যায়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কানন বলেন, সেন্টমার্টিনে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশুদের খতনা করা হয়েছিল। বুধবার সকালে সেখানে গিয়ে খতনা করা ১২০ শিশুকে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খতনা করা প্রায় ১০ থেকে ১২ জন শিশুর কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। খতনার পর নিয়ম অনুযায়ী ওষুধ না খাওয়ানো এবং খতনা কার্যক্রমে নিয়োজিতদের অসচেতনতার কারণে এসব সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

ডা. নওশাদ আলম কানন আরও বলেন, ভবিষ্যতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিশুদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিতে হবে। খতনার পর সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়ানো ও ড্রেসিং করা হলে শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো না।
তিনি বলেন, এসব শিশুকে চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেন্টমার্টিনেই দেওয়া সম্ভব।