ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সাতকানিয়ার জাবেদের মৃত্যু মহাসড়কে অভিযান, চারটি বাসকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা , ৭ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ লোহাগাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রবীণ আইনজীবী প্রফেসর নুর আহমদ এডভোকেটের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী ২৬ আগস্ট আশ্রয়প্রার্থী বিদেশিদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল আমেরিকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের নতুন হোস্টেল একনেকে অনুমোদন ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখণ্ডিত, নিউজিল্যান্ডের এক পরিবারের ৩ সদস্য উদ্ধার: শিশু নিখোঁজ অশ্রুজলে ২৫ আগস্ট স্মরণ: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট চাইলো লাখো রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি দ্রুত সকল রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে ৫ জেলে নিখোঁজ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন দেশের ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত একরামুল হত্যা: সাবেক এমপি বদি ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ ট্রাইব্যুনালে তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 172

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সাতকানিয়ার জাবেদের মৃত্যু

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।