ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 154

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।