ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে পর্যটকেরা

ঐ দুরে আকাশ নুয়ে পড়েছে। বিকেলের ক্লান্ত সূর্য হেলান দিয়েছে পশ্চিমের আকাশে।সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে কিছু মানুষ। সাগর বেলায় প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মূহুর্ত।

ছুটির দিনে পর্যটকে মুখর কক্সবাজার। সৈকতের লাবনী ,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকের ভীড়। ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ,সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে পর্যটকের পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয়দের উপস্থিতিও।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এসেছেন ব্যবসায়ী রবিউল হাসান।তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে বছরের এ সময়ে ঘুরতে আসা। সবাই মিলে সুন্দর কিছু সময় কাটাতেই কক্সবাজার কে বেছে নেয়া।

বরিশাল থেকে আসা হোসনে আরা বলেন,সমুদ্র কার না ভালো লাগে? সাগরের টানেই কক্সবাজার আসা।

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা সৌরভ আহমেদ বলেন,পর্যটকদের যেনো হয়রানী না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী। বীচে হকার,ফটোগ্রাফারদের উৎপাত কিছুটা কমেছে তবে রেস্তোরাঁ ও আবাসিক হোটেল গুলো যাতে অতিরিক্ত দাম না নেয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন,পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যেখানেই অনিয়ম বা হয়রানির খবর পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান করাই একমাত্র লক্ষ্য ট্যুরিস্ট পুলিশের।তাই কোথাও কোনো পর্যটক যদি হয়রানি বা অনভিপ্রেত কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় তাহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে পর্যটক আগমনের কারণে সাগরতীরের হোটেলগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা। হোটেল ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান,রুম বুকিং হয়েছে ৪০ শতাংশ প্রায়। আগামী সপ্তাহ থেকে বুকিং আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। রুমের ভাড়া অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু অনলাইনে বেশীরভাগ রুম বুকিং হয় ,ফলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই।

বিভিন্ন সুত্র থেকে নেয়া তথ্য বলছে শুক্রবার আনুমানিক ৪০ হাজার পর্যটক এসেছে কক্সবাজারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে পর্যটকেরা

আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ঐ দুরে আকাশ নুয়ে পড়েছে। বিকেলের ক্লান্ত সূর্য হেলান দিয়েছে পশ্চিমের আকাশে।সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে কিছু মানুষ। সাগর বেলায় প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মূহুর্ত।

ছুটির দিনে পর্যটকে মুখর কক্সবাজার। সৈকতের লাবনী ,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকের ভীড়। ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ,সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে পর্যটকের পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয়দের উপস্থিতিও।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এসেছেন ব্যবসায়ী রবিউল হাসান।তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে বছরের এ সময়ে ঘুরতে আসা। সবাই মিলে সুন্দর কিছু সময় কাটাতেই কক্সবাজার কে বেছে নেয়া।

বরিশাল থেকে আসা হোসনে আরা বলেন,সমুদ্র কার না ভালো লাগে? সাগরের টানেই কক্সবাজার আসা।

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা সৌরভ আহমেদ বলেন,পর্যটকদের যেনো হয়রানী না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী। বীচে হকার,ফটোগ্রাফারদের উৎপাত কিছুটা কমেছে তবে রেস্তোরাঁ ও আবাসিক হোটেল গুলো যাতে অতিরিক্ত দাম না নেয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন,পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যেখানেই অনিয়ম বা হয়রানির খবর পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান করাই একমাত্র লক্ষ্য ট্যুরিস্ট পুলিশের।তাই কোথাও কোনো পর্যটক যদি হয়রানি বা অনভিপ্রেত কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় তাহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে পর্যটক আগমনের কারণে সাগরতীরের হোটেলগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা। হোটেল ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান,রুম বুকিং হয়েছে ৪০ শতাংশ প্রায়। আগামী সপ্তাহ থেকে বুকিং আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। রুমের ভাড়া অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু অনলাইনে বেশীরভাগ রুম বুকিং হয় ,ফলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই।

বিভিন্ন সুত্র থেকে নেয়া তথ্য বলছে শুক্রবার আনুমানিক ৪০ হাজার পর্যটক এসেছে কক্সবাজারে।