ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি কক্সবাজার ০১- : চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় ভোটার কতো, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯

সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে পর্যটকেরা

ঐ দুরে আকাশ নুয়ে পড়েছে। বিকেলের ক্লান্ত সূর্য হেলান দিয়েছে পশ্চিমের আকাশে।সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে কিছু মানুষ। সাগর বেলায় প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মূহুর্ত।

ছুটির দিনে পর্যটকে মুখর কক্সবাজার। সৈকতের লাবনী ,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকের ভীড়। ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ,সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে পর্যটকের পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয়দের উপস্থিতিও।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এসেছেন ব্যবসায়ী রবিউল হাসান।তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে বছরের এ সময়ে ঘুরতে আসা। সবাই মিলে সুন্দর কিছু সময় কাটাতেই কক্সবাজার কে বেছে নেয়া।

বরিশাল থেকে আসা হোসনে আরা বলেন,সমুদ্র কার না ভালো লাগে? সাগরের টানেই কক্সবাজার আসা।

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা সৌরভ আহমেদ বলেন,পর্যটকদের যেনো হয়রানী না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী। বীচে হকার,ফটোগ্রাফারদের উৎপাত কিছুটা কমেছে তবে রেস্তোরাঁ ও আবাসিক হোটেল গুলো যাতে অতিরিক্ত দাম না নেয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন,পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যেখানেই অনিয়ম বা হয়রানির খবর পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান করাই একমাত্র লক্ষ্য ট্যুরিস্ট পুলিশের।তাই কোথাও কোনো পর্যটক যদি হয়রানি বা অনভিপ্রেত কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় তাহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে পর্যটক আগমনের কারণে সাগরতীরের হোটেলগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা। হোটেল ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান,রুম বুকিং হয়েছে ৪০ শতাংশ প্রায়। আগামী সপ্তাহ থেকে বুকিং আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। রুমের ভাড়া অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু অনলাইনে বেশীরভাগ রুম বুকিং হয় ,ফলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই।

বিভিন্ন সুত্র থেকে নেয়া তথ্য বলছে শুক্রবার আনুমানিক ৪০ হাজার পর্যটক এসেছে কক্সবাজারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি?

This will close in 6 seconds

সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে পর্যটকেরা

আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ঐ দুরে আকাশ নুয়ে পড়েছে। বিকেলের ক্লান্ত সূর্য হেলান দিয়েছে পশ্চিমের আকাশে।সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছাসে মেতেছে কিছু মানুষ। সাগর বেলায় প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মূহুর্ত।

ছুটির দিনে পর্যটকে মুখর কক্সবাজার। সৈকতের লাবনী ,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকের ভীড়। ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ,সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে পর্যটকের পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয়দের উপস্থিতিও।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এসেছেন ব্যবসায়ী রবিউল হাসান।তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে বছরের এ সময়ে ঘুরতে আসা। সবাই মিলে সুন্দর কিছু সময় কাটাতেই কক্সবাজার কে বেছে নেয়া।

বরিশাল থেকে আসা হোসনে আরা বলেন,সমুদ্র কার না ভালো লাগে? সাগরের টানেই কক্সবাজার আসা।

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা সৌরভ আহমেদ বলেন,পর্যটকদের যেনো হয়রানী না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী। বীচে হকার,ফটোগ্রাফারদের উৎপাত কিছুটা কমেছে তবে রেস্তোরাঁ ও আবাসিক হোটেল গুলো যাতে অতিরিক্ত দাম না নেয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন,পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যেখানেই অনিয়ম বা হয়রানির খবর পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান করাই একমাত্র লক্ষ্য ট্যুরিস্ট পুলিশের।তাই কোথাও কোনো পর্যটক যদি হয়রানি বা অনভিপ্রেত কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় তাহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে পর্যটক আগমনের কারণে সাগরতীরের হোটেলগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা। হোটেল ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান,রুম বুকিং হয়েছে ৪০ শতাংশ প্রায়। আগামী সপ্তাহ থেকে বুকিং আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। রুমের ভাড়া অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু অনলাইনে বেশীরভাগ রুম বুকিং হয় ,ফলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই।

বিভিন্ন সুত্র থেকে নেয়া তথ্য বলছে শুক্রবার আনুমানিক ৪০ হাজার পর্যটক এসেছে কক্সবাজারে।