ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ মাতারবাড়ি থেকে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট কে আটক করেছে পুলিশ ৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন কলাতলীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার পারিবারিক মামলার শুনানি শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল আপন দুই বোনসহ ৩ জনের উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, সিএনজি জব্দ মাদক মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাশেম গ্রেপ্তার সমিতি পাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার আসামি বাপ্পি গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম ডিবির হাতে গ্রেফতার অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার বনকর্মীরা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ আহত ৫ অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার বনকর্মীরা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ আহত ৫ নতুন পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের প্রস্তুতি, কার বেতন কত বাড়ছে কম খরচে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স করতে পারেন বাউবিতে, নেই বয়সের বাধা বন্যাদুর্গতদের পাশে সেনাবাহিনী, পেকুয়া-চকরিয়ায় দুই হাজারের বেশি মানুষ পেলেন চিকিৎসাসেবা পেকুয়ায় ইউপি সচিবের বাড়িতে ডাকাতি, লুট সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৮ ভরি স্বর্ণ

১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু ও তার মাকে খুঁজছে পুলিশ।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, “সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।”

এ বিষয়ে জানতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আনোয়ারের মোবাইল ফোন ও হোয়াসটঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।”

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’

১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০১:৪৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু ও তার মাকে খুঁজছে পুলিশ।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, “সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।”

এ বিষয়ে জানতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আনোয়ারের মোবাইল ফোন ও হোয়াসটঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।”

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম