ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আর্জেন্টিনাকে ‘কাঁদানো’ রেনার্ড আবার আসছেন বিশ্বকাপে চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত পরিবার বলছে বলাৎকার করে হ’ত্যা : চকরিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ রামুতে গোয়ালঘরের ময়লার স্তূপ থেকে অস্ত্র উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে সৌদিতে দেখা গেছে মুহাররমের চাঁদ, শুরু হলো ১৪৪৮ হিজরি নেইমারকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু

হামলার ভয়ে হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন যুবক

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে মাথায় হেলমেট লাগিয়ে তাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে রাস্তায় বের হচ্ছেন ভারতের ইন্দোর শহরের বাসিন্দা সতীশ চৌহান। সম্প্রতি তার এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সতীশ ইন্দোরের হিরানগর থানার গৌরীনগর এলাকার বাসিন্দা। ভিডিওতে তিনি বলেন, তিনি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী বলিরাম চৌহান ও মুন্না চৌহানের সঙ্গে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত।

সতীশের দাবি, এই দুই প্রতিবেশী তার সম্পত্তি দখল করতে চান এবং এ নিয়ে প্রতিদিনই তাদের সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছে যে, তিনি ও তার পরিবার নিজেদের জীবনের জন্য আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

সতীশ আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবেশীরা বাড়িতে ঢুকে তাকে ও পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে। এমনকি বাড়িতে আগে থেকে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরাও তারা খুলে নিয়ে গেছে।

এই পরিস্থিতিতে পুলিশের দ্বারস্থ হলেও কোনো সাহায্য পাননি বলে দাবি করেন সতীশ। অভিযোগ, বারবার থানায় গিয়েও পুলিশ তার অভিযোগ নেয়নি বা কোনো নিরাপত্তা দেয়নি।

এতসব ব্যর্থতার পর নিরাপত্তার স্বার্থে নিজেই উদ্যোগ নিয়ে হেলমেটে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছেন ভারতের এই যুবক। তিনি জানান, যেকোনো অনিয়ম বা হামলার ঘটনা প্রমাণ করতে যেন ভিডিও থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যায়, সেই উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থা নিয়েছেন।

এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে অনুরাগ দ্বারী নামে একজন এই ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘প্রথম দেখায় এই দৃশ্য হাস্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু শুনুন, ইন্দোরে এই মানুষটি আসলে বাধ্য হয়ে মাথায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন। কারণ প্রশাসন তাকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

সুত্র: ঢাকা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনাকে ‘কাঁদানো’ রেনার্ড আবার আসছেন বিশ্বকাপে

হামলার ভয়ে হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন যুবক

আপডেট সময় : ০৫:২১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে মাথায় হেলমেট লাগিয়ে তাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে রাস্তায় বের হচ্ছেন ভারতের ইন্দোর শহরের বাসিন্দা সতীশ চৌহান। সম্প্রতি তার এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সতীশ ইন্দোরের হিরানগর থানার গৌরীনগর এলাকার বাসিন্দা। ভিডিওতে তিনি বলেন, তিনি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী বলিরাম চৌহান ও মুন্না চৌহানের সঙ্গে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত।

সতীশের দাবি, এই দুই প্রতিবেশী তার সম্পত্তি দখল করতে চান এবং এ নিয়ে প্রতিদিনই তাদের সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছে যে, তিনি ও তার পরিবার নিজেদের জীবনের জন্য আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

সতীশ আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবেশীরা বাড়িতে ঢুকে তাকে ও পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে। এমনকি বাড়িতে আগে থেকে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরাও তারা খুলে নিয়ে গেছে।

এই পরিস্থিতিতে পুলিশের দ্বারস্থ হলেও কোনো সাহায্য পাননি বলে দাবি করেন সতীশ। অভিযোগ, বারবার থানায় গিয়েও পুলিশ তার অভিযোগ নেয়নি বা কোনো নিরাপত্তা দেয়নি।

এতসব ব্যর্থতার পর নিরাপত্তার স্বার্থে নিজেই উদ্যোগ নিয়ে হেলমেটে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছেন ভারতের এই যুবক। তিনি জানান, যেকোনো অনিয়ম বা হামলার ঘটনা প্রমাণ করতে যেন ভিডিও থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যায়, সেই উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থা নিয়েছেন।

এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে অনুরাগ দ্বারী নামে একজন এই ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘প্রথম দেখায় এই দৃশ্য হাস্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু শুনুন, ইন্দোরে এই মানুষটি আসলে বাধ্য হয়ে মাথায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন। কারণ প্রশাসন তাকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

সুত্র: ঢাকা ট্রিবিউন