ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গ্যাসের ৪ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, পাইপলাইনে ৪টি

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া গ্যাসের ৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর বাইরে আজ রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী এলপিজি সেভেন নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওমানের সোহার বন্দর থেকে জাহাজটি ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে আসছে। এছাড়া আরও ৩টি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে রয়েছে বলে জানায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী আল জোরা নামের জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। একই জায়গা আসা আল জাসাসিয়া জাহাজটি ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে পৌঁছে।

এছাড়া কাতারের রাস লাফান থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে আসা লুসাইল জাহাজটি সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। একই বন্দর থেকে রওনা হওয়া ৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই আল গালায়েল জাহাজ ১১ মার্চ এবং ৬২ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই লেব্রেথাহ জাহাজ ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা জি-ওয়াইএমএন নামের আরেকটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী বে-ইয়াসু জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সৈয়দ রেফায়েত হামিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মোট ৮টি জাহাজ আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। একটি আজকে এবং বাকি ৩টি পাইপলাইনে রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রণালি ব্যবহার করেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের বড় অংশের জ্বালানি পণ্য আমদানি করা হয়। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গ্যাসের ৪ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, পাইপলাইনে ৪টি

আপডেট সময় : ১২:৪২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া গ্যাসের ৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর বাইরে আজ রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী এলপিজি সেভেন নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওমানের সোহার বন্দর থেকে জাহাজটি ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে আসছে। এছাড়া আরও ৩টি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে রয়েছে বলে জানায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী আল জোরা নামের জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। একই জায়গা আসা আল জাসাসিয়া জাহাজটি ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে পৌঁছে।

এছাড়া কাতারের রাস লাফান থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে আসা লুসাইল জাহাজটি সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। একই বন্দর থেকে রওনা হওয়া ৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই আল গালায়েল জাহাজ ১১ মার্চ এবং ৬২ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই লেব্রেথাহ জাহাজ ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা জি-ওয়াইএমএন নামের আরেকটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী বে-ইয়াসু জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সৈয়দ রেফায়েত হামিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মোট ৮টি জাহাজ আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। একটি আজকে এবং বাকি ৩টি পাইপলাইনে রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রণালি ব্যবহার করেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের বড় অংশের জ্বালানি পণ্য আমদানি করা হয়। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট