ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে হারানো আইফোনসহ উদ্ধার করা ৫০ টি মোবাইল মালিকের কাছে হস্তান্তর বিজিবি-আরএসও গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার শুক্রবার কক্সবাজারে আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যাবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটি ধসে নিহত ২ শ্রমিক দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা পেকুয়ায় বন্দুক, গুলি-কার্তুজসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের সিকিউরিটি রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিকেট কালোবাজারির অভিযোগ পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে হারানো আইফোনসহ উদ্ধার করা ৫০ টি মোবাইল মালিকের কাছে হস্তান্তর

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।