ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা আজ পবিত্র আশুরা টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা দেশে মোট গাঁজাখোর ৬১ লাখ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছে সরকার: নাইক্ষ্যংছড়িতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু লামা পৌরসভার ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি ফরিদ উদ্দিন

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।