জালনোটের কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে আগেও পুলিশের হাতে আটক হয়ে জামিনে বেরিয়েছিলেন মো. শাহ আলম (৩৫)। তবে তাতেও থামেনি সে ।
এবার স্ত্রীকে জালনোটের ব্যবসায় যুক্ত করার চেষ্টা ও পারিবারিক বিরোধের সূত্র ধরে বেরিয়ে এলো তার জালনোটের কারবার।
৯৯৯-এ স্ত্রীর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শাহ আলমকে আটক করে পুলিশ। পরে তার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫০০ টাকার ৫৪টি জালনোট।
সোমবার (১৭ আগস্ট) উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব হাজারবিঘা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক শাহ আলম ওই এলাকার ফেরদৌস আহমদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে আগেও জাল টাকা সংক্রান্ত দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সন্তান আহত হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী জান্নাত আরা বেগম জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান।
লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হক লিটন জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে পারিবারিক বিরোধের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জালনোটের কারবারের বিষয়টি সামনে আসে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, শাহ আলম দীর্ঘদিন ধরে জালনোটের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে তার স্ত্রী আমাদের জানান। তিনি স্ত্রীকেও এ অবৈধ ব্যবসায় যুক্ত হতে চাপ দিচ্ছিলেন। স্ত্রী এতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।পরে স্ত্রীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহ আলমের কক্ষে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় ৫০০ টাকার ৫৪টি জালনোট উদ্ধার করা হয়।
লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ভৌমিক বলেন, অভিযান চালিয়ে জালনোটসহ শাহ আলমকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৫০০ টাকার ৫৪টি জালনোট উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, “শাহ আলমের বিরুদ্ধে এর আগেও জাল টাকা সংক্রান্ত দুটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর আবারও একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আরও জানান, এ ঘটনায় শাহ আলমের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোহাম্মদ আলাউদ্দিন: 





















