ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা টাকা ও অলংকার নিয়ে উধাও আয়েশা! সন্ধান চায় ভুক্তভোগী পরিবার লোহাগাড়ায় পানির মোটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু গোলকিপার সাঈদীর ওপর হামলা: হোয়ানকের চেয়ারম্যান ও তার পুত্রের নামে এজাহার দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৫ টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় ১৫ জন উদ্ধার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পূর্ব শাখা বিএনপির ১৮১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন ঈদগাঁওয়ে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে হেলপার নিহত নাফ নদীতে আরাকান আর্মির গুলিতে জেলে আহত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ কক্সবাজারে গৃহকর্ত্রীকে চেতনাশক খাইয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল চুরি : মালামালসহ গৃহকর্মী গ্রেপ্তার পেকুয়ার যানজট নিরসন, ডাস্টবিন স্থাপন ও খেলার মাঠ উন্মুক্তকরণে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা এবার এড. মোসলেমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে জিনিয়ার মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে এমপি কাজল-সৈকতকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে হবে মহেশখালীতে চোর সন্দেহে এক যুবককে খুঁটির সাথে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা

রহস্য উদঘাটন: ইয়াবার লেনদেনের জেরে হোয়াইক্যংয়ের সৈয়দ মিয়া হত্যাকান্ড,গ্রেফতার ২

হোয়াইক্যংয়ের চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলার ২ আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

৩ জানুয়ারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার আসামী আরফাত (২২)কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে সে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ স্বীকারসহ হত্যাকান্ডে জড়িত মোঃ ইসমাইল (২৯) সহ অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে।

আরফাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৪ জানুয়ারী হোয়াইক্যং থেকে মোঃ ইসমাইল (২৯) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৫ জানুয়ারী আদালতে প্রেরণ করলে সে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত সৈয়দ মিয়ার সঙ্গে মামলার আসামী নিশানের ইয়াবার লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে ৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে নিশান, আরফাত, তারেক,ইসমাইলসহ কয়েকজন মিলে নোহা গাড়ীযোগে কক্সবাজার শহর থেকে পালংখালী নিশানের বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে সৈয়দ মিয়াকে মুখে কস্টেপ পেচিয়ে হাত-পা বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর পর পালংখালী থেকে হোয়াইক্যংয়ের চাকমারকুল খালের পাড়ে জোবায়েরের জমির পাশে গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস জানান,এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা সনাক্ত হয়েছে। ২ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রহস্য উদঘাটন: ইয়াবার লেনদেনের জেরে হোয়াইক্যংয়ের সৈয়দ মিয়া হত্যাকান্ড,গ্রেফতার ২

আপডেট সময় : ০২:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

হোয়াইক্যংয়ের চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলার ২ আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

৩ জানুয়ারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার আসামী আরফাত (২২)কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে সে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ স্বীকারসহ হত্যাকান্ডে জড়িত মোঃ ইসমাইল (২৯) সহ অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে।

আরফাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৪ জানুয়ারী হোয়াইক্যং থেকে মোঃ ইসমাইল (২৯) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৫ জানুয়ারী আদালতে প্রেরণ করলে সে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত সৈয়দ মিয়ার সঙ্গে মামলার আসামী নিশানের ইয়াবার লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে ৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে নিশান, আরফাত, তারেক,ইসমাইলসহ কয়েকজন মিলে নোহা গাড়ীযোগে কক্সবাজার শহর থেকে পালংখালী নিশানের বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে সৈয়দ মিয়াকে মুখে কস্টেপ পেচিয়ে হাত-পা বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর পর পালংখালী থেকে হোয়াইক্যংয়ের চাকমারকুল খালের পাড়ে জোবায়েরের জমির পাশে গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস জানান,এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা সনাক্ত হয়েছে। ২ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।