ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার কক্সবাজারে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশা থেকে ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ৫৪ বস্তা সার জব্দ, আটক ১ টেকনাফে কিশোরকে অপহরণ, ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি পানি উন্নয়ন বোর্ড নয়, স্লুইসগেট দেখভাল করবে স্থানীয় প্রশাসন : পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘুমের মাঝেই না ফেরার দেশে লোহাগাড়া থানার এসআই আজিজ ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি গেট পেকুয়ায় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঘর নির্মাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রক্ত, আগুন আর ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে থমকে গিয়েছিল বাংলাদেশ ৫ মাস পূর্ণ করলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রাতে মুখোমুখি ফ্রান্স-ইংল্যান্ড  ইয়ামালকে ‘ঘরে আটকে’ রাখতে চান স্কালোনি বিদেশে থাকার কারণে বন্যার সময় আসতে পারিনি,তার জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি: নিজ সংসদীয় আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির!

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 314

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।

এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।

এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।

তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।

ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।

এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির!

আপডেট সময় : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।

এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।

এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।

তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।

ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।

এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।