ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুপটুপ রিসোর্টের আগুনে পুড়ে মারা গেলো একই পরিবারের ৬জন উখিয়ার চাঞ্চল্যকর হুমায়ুন হত্যা মামলার আসামি আলী আহমদ গ্রেফতার রামুতে উপজেলা প্রশাসন ও সওজের যৌথ উচ্ছেদ অভিযান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে: জামায়াত আমির দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেকে রিসোর্টে আ’গু’ন, নি’হত ৫ কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ প্রথমবারের মতো স্থানীয় ভিসি পেল সিবিআইইউ : দায়িত্ব নিলেন ড. মোকতার আহমেদ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কক্সবাজার বিমানবন্দর: সাগরে বসানো লাইট চুরির ঘটনা কীভাবে ঘটলো? রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি, প্রতিবাদে কক্সবাজারে ‘শতকণ্ঠে রবীন্দ্র-নজরুল’ হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী খুঁটির উপর ভর করে আছে কালভার্ট, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো শামসুল হক ফাউন্ডেশন ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা!

মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার

টেকনাফে অপহরণের তিন দিন পর র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ এর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে মো. ইসমাইল (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা গহীন পাহাড়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের শালবাগান নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, গত ১৫ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লালপাহাড় এলাকার বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে মো. ইসমাইল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদাপাড়া এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের হাতে অপহৃত হন। এ ঘটনায় তার বোন সমসু নাহার (৩৩) ১৬ জুলাই টেকনাফ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৮৩৯) করেন। বিষয়টি জানার পর র‍্যাব-১৫ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারে মাঠপর্যায়ে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে শনিবার বিকেলে র‍্যাব সদস্যরা অপহৃত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে শালবাগান নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় র‍্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী গহীন পাহাড়ে পালিয়ে যায়। তবে অপহৃত মো. ইসমাইলকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ইসমাইল জানিয়েছেন, অপহরণকারীরা তাকে পাহাড়ের গভীরে আটকে রেখেছিল। তারা তার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসছিল। মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য তাকে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতনও করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আটকে র‍্যাবের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টুপটুপ রিসোর্টের আগুনে পুড়ে মারা গেলো একই পরিবারের ৬জন

মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে অপহরণের তিন দিন পর র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ এর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে মো. ইসমাইল (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা গহীন পাহাড়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের শালবাগান নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, গত ১৫ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লালপাহাড় এলাকার বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে মো. ইসমাইল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদাপাড়া এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের হাতে অপহৃত হন। এ ঘটনায় তার বোন সমসু নাহার (৩৩) ১৬ জুলাই টেকনাফ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৮৩৯) করেন। বিষয়টি জানার পর র‍্যাব-১৫ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারে মাঠপর্যায়ে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে শনিবার বিকেলে র‍্যাব সদস্যরা অপহৃত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে শালবাগান নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় র‍্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী গহীন পাহাড়ে পালিয়ে যায়। তবে অপহৃত মো. ইসমাইলকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ইসমাইল জানিয়েছেন, অপহরণকারীরা তাকে পাহাড়ের গভীরে আটকে রেখেছিল। তারা তার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসছিল। মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য তাকে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতনও করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আটকে র‍্যাবের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।