টানা প্রবল ভারি বর্ষণে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ডুবে গেছে উপজেলার নিম্নাঞ্চল। স্থানীয় তথ্য মতে উপজেলার কালারমারছড়া, শাপলাপুর, হোয়ানক, ছোট মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ টি বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আহত হয়েছে অন্তত ৭ জন।
বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার কালারমারছড়া চালিয়াতলী এলাকার শিকড়তলী নামক গ্রামে পাহাড়ধসে তিনটি বাড়ির একাংশ ভেঙে যায়। এতে আহত হয় নারীপুরুষসহ ৩ জন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
টানা বৃষ্টিতে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে শাপলাপুর, হোয়ানক, কালারমারছড়ার বড়ুয়া পাড়ায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক ঘটনায় বাড়িঘরের দেয়াল, আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি আহত হয়েছে অন্তত ৪ জন। আহতদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম টিটিএন-কে জানান, ভারি বৃষ্টিপাতে মহেশখালীতে বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা চলমান। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সে সব স্থানে গতকাল থেকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
পাহাড়ধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত কোথাও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা পর্যন্ত কোথাও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে পাহাড়ের পাদদেশের ঝুকিপূর্ণ স্থান থেকে মানুষ সরে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সতর্কতামূলক প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
কাব্য সৌরভ, মহেশখালী: 























