ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ নূর আহমদ আনোয়ারীর সহধর্মিণীর ইন্তেকাল রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগং এলায়েন্স গঠিত: প্রেসিডেন্ট আরফাত,সেক্রেটারি তৌফিক গরু বিক্রি করতে যাওয়ার পথে গাড়ি উল্টে মৃত্যু লামায় সিএনজি দূর্ঘটনায় চালক নিহত, আহত ৫ রামুর মনিরঝিলে আওয়ামী লীগ নেতা জহির মেম্বারের ছেলে রিয়াজ উদ্দীন ধর্ষণ মামলায় আটক কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু সিএনজির মিটার বক্সে ইয়াবা, চালক আটক কক্সবাজারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ টেকনাফে ওয়াই-ফাই লাইনের কাজের অজুহাতে জাল নোটের কারখানা পেকুয়াকে পৌরসভা রুপান্তর করায় আনন্দ মিছিল সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ৬ জন উদ্ধার, মায়ানমার মুদ্রাসহ নারী গ্রেফতার ঘুমধুম সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, আটক যুবক রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট জমা আজ, ছুটিতে বিশেষ কোর্টে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার বাংলাদেশ দ্রুতই সবুজ-টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর

পুলিশ ‘সহযোগিতা’ চাওয়ায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের ঘটনায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্পৃক্ত হন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর—আইএসপিআর।

আইএসপিআর বলছে, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ার পর সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকানোর জন্য বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

শুক্রবার রাতের ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যের আহত হওয়ার তথ্যও দিয়েছে আইএসপিআর।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়ান উভয় দলের নেতাকর্মীরা।

আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ৮ টার দিকে কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

“প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।”

আইএসপিআর বলছে, “ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং নিজেদের মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়। কিন্তু অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে।

“তারা সংগঠিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়।”

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলে জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।”

আইএসপিআর বলছে, “সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায়ে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর

আপডেট সময় : ০২:৪০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

পুলিশ ‘সহযোগিতা’ চাওয়ায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের ঘটনায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্পৃক্ত হন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর—আইএসপিআর।

আইএসপিআর বলছে, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ার পর সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকানোর জন্য বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

শুক্রবার রাতের ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যের আহত হওয়ার তথ্যও দিয়েছে আইএসপিআর।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়ান উভয় দলের নেতাকর্মীরা।

আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ৮ টার দিকে কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

“প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।”

আইএসপিআর বলছে, “ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং নিজেদের মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়। কিন্তু অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে।

“তারা সংগঠিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়।”

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলে জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।”

আইএসপিআর বলছে, “সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায়ে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।”