ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাইভেট কারে তল্লাশি: ৮৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ৩ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সময়েই অপ্রতিম হত্যার বিচার সম্পন্নের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান: গ্রেপ্তার ৪৫ শহরে বিয়ে বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর, পুলিশি সহায়তায় রক্ষা চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আনোয়ারুল মোস্তফা রাসেল সেন্টমার্টিন থেকে মিয়ানমারে পাচারকালে ১২ টন ইউরিয়া সার, রসুন-পেঁয়াজসহ আটক ১০ ছিনতাইকারী-ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এসপির শিক্ষকদের নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস আমরা সরকারের বিরুদ্ধে না, দেশের বিরুদ্ধেও না: কর্নেল অলি ‘তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন’ দাবি মেনে নিন, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না: জামায়াত আমির সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত : ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৫

‘নির্বাচন ‍সফল করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড়’

নির্বাচন সফল করার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড় বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও ভোটে বড় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলোর। দলগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করলে নির্বাচন কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না।’

বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশনের প্রত্যাশা, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপালনে তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি, যার প্রধান শর্ত আচরণবিধি মেনে চলা।’

সিইসি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন। সব দল নিজ নিজ কর্মীদের মাধ্যমে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসার জন্য উৎসাহিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সিইসি বলেন, ‘শপথ গ্রহণের পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চললেও, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের (ইআরএসসি) কাজের কারণে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা শুরু করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। গত বছরের ২৪ নভেম্বর শপথ গ্রহণের পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। তবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজ চলমান থাকায় এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ অনেকেই সেই আলোচনায় ব্যস্ত থাকায়, ইসি সমান্তরালভাবে আরেকটি আলোচনা চালাতে চায়নি। কমিশনের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরই এই আলোচনা শুরু করা হয়েছে।’

সিইসি জানান, শুধু নির্বাচন কমিশনই নয়, সব রাজনৈতিক দলই জাতির কাছে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য ওয়াদাবদ্ধ। সবাই কিন্তু একটা সুন্দর, গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচনের জন্য জাতির কাছে ওয়াদা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সংস্কার কমিশনের অনেক সুপারিশ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্থার লিখিত মতামত পর্যালোচনা করে আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আচরণ বিধি প্রস্তুত করাটা বড় কাজ নয়। আচরণ বিধি প্রতিপালনটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘গত ১০-১৫ বছরে ভোটারদের মধ্যে এক ধরণের ভোট-বিমুখতা সৃষ্টি হয়েছিল। এজন্য আপনারা জাতীয় নেতৃবৃন্দ পলিটিকাল লিডাররা যারা সরাসরি তৃণমূলের সাথে যাদের সম্পর্ক…আপনারা জনগণকে একটু উদ্বুদ্ধ করে একটু ভূমিকা রাখবেন। আমরা আশা করি যাতে মানুষ ভোট কেন্দ্রে আসে এবং ব্যাপক সংখ্যায় আসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কীভাবে আমরা সবাই মিলে রাজনৈতিক দল এবং দেশের ভোটার এবং নির্বাচন কমিশন আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবাই মিলে কিভাবে আমরা একটা সুন্দর নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারি সেই লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।’

সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইভেট কারে তল্লাশি: ৮৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ৩

‘নির্বাচন ‍সফল করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড়’

আপডেট সময় : ১২:৩৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচন সফল করার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড় বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও ভোটে বড় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলোর। দলগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করলে নির্বাচন কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না।’

বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশনের প্রত্যাশা, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপালনে তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি, যার প্রধান শর্ত আচরণবিধি মেনে চলা।’

সিইসি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন। সব দল নিজ নিজ কর্মীদের মাধ্যমে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসার জন্য উৎসাহিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সিইসি বলেন, ‘শপথ গ্রহণের পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চললেও, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের (ইআরএসসি) কাজের কারণে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা শুরু করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। গত বছরের ২৪ নভেম্বর শপথ গ্রহণের পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। তবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজ চলমান থাকায় এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ অনেকেই সেই আলোচনায় ব্যস্ত থাকায়, ইসি সমান্তরালভাবে আরেকটি আলোচনা চালাতে চায়নি। কমিশনের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরই এই আলোচনা শুরু করা হয়েছে।’

সিইসি জানান, শুধু নির্বাচন কমিশনই নয়, সব রাজনৈতিক দলই জাতির কাছে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য ওয়াদাবদ্ধ। সবাই কিন্তু একটা সুন্দর, গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচনের জন্য জাতির কাছে ওয়াদা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সংস্কার কমিশনের অনেক সুপারিশ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্থার লিখিত মতামত পর্যালোচনা করে আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আচরণ বিধি প্রস্তুত করাটা বড় কাজ নয়। আচরণ বিধি প্রতিপালনটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘গত ১০-১৫ বছরে ভোটারদের মধ্যে এক ধরণের ভোট-বিমুখতা সৃষ্টি হয়েছিল। এজন্য আপনারা জাতীয় নেতৃবৃন্দ পলিটিকাল লিডাররা যারা সরাসরি তৃণমূলের সাথে যাদের সম্পর্ক…আপনারা জনগণকে একটু উদ্বুদ্ধ করে একটু ভূমিকা রাখবেন। আমরা আশা করি যাতে মানুষ ভোট কেন্দ্রে আসে এবং ব্যাপক সংখ্যায় আসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কীভাবে আমরা সবাই মিলে রাজনৈতিক দল এবং দেশের ভোটার এবং নির্বাচন কমিশন আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবাই মিলে কিভাবে আমরা একটা সুন্দর নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারি সেই লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।’

সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন