ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।