ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-শিশু সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা মহেশখালীতে পাহাড়ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, আহত একাধিক মেসির কাছ থেকে উপহার পাচ্ছেন ক্লোসা বাংলাদেশে আর নতুন করে কাউকে শেখ হাসিনা হতে দেব না: সারজিস আলম চকরিয়ায় পাহাড় ধসে ২ জনের মৃত্যু ভারী বর্ষণে ডলু, টংকাবতী ও হাঙ্গর খালের পানি বেড়েছে : লোহাগাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার শংকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা ৮ নাকি ৫? আরো ৩ দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিলো হাওয়া দপ্তর ​সেন্টমার্টিন সৈকতে ভেসে আসলো অর্ধগলিত মরদেহ উখিয়ায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত, আ.লীগ নেতা বাদশাহর বিরুদ্ধে চাঁদা ও হামলার অভিযোগ জেলা প্রশাসনের সতর্কতা, সব আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত : খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস : ৮ মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ৫ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারো পাহাড়ধস : ৮ মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের  কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড় ধ্বসের শঙ্কা: আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ

খালি নেই হোটেলের রুম, লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকরা 

সপ্তাহিক ছুটিতে যেনো জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। পর্যটকদের অনেকেই হোটেলে রুম না পেয়ে লাগেজ বা ব্যাগ নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন বালিয়াড়িতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের কোথাও খালি কক্ষ নেই।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর পর্যটন পল্লি, হিমছড়ির ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানী-পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন মাথিন কূপ, নেচার পার্ক, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ পল্লীসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো এখন জমজমাট। রুম না পেয়ে বাধ্য হয়ে কক্সবাজারও ছাড়তে হচ্ছে অনেককে।

শুক্রবার (২০ডিসেম্বর) সকাল থেকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, বালিয়াড়িতে ভিড় করেছে লাখো পর্যটক। বালিয়াড়ির সামনে নীল জলরাশিতেও মানুষের ভিড়। সবাই মেতেছেন বাধভাঙ্গা আনন্দ-উল্লাসে।

ভোলা থেকে আগত পর্যটক শাহিন বলেন,গতকাল রাতে কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছি।রাত থেকে এখনো রুম পাইনি।বাধ্য হয়ে সৈকতের চেয়ারে রাত কাটিয়েছি।রুম যখন পাচ্ছি না তাই বাধ্য হয়ে হয়ে চলে যাচ্ছি।

শফিক নামে আরেক পর্যটক বলেন, ভোরে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে ভ্রমনে এসেছি।এখনো পর্যন্ত রুম পাইনি। কটেজে ২টি রুম পেয়েছি সেটি মানসম্মত না। উল্টো প্রতি রাত ১০হাজার করে খুঁজে। এখন বীচে পা ভিজিয়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

সৈকত নামে আরেক পর্যটক বলেন, বাস থেকে নেমে এখনো রুম পাইনি। রুম খুঁজতেছি। কিন্তু এখনো সৈকতে পা রাখার সুযোগ হয়নি।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, সপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেল রুম খালি নেই।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের আগমন হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-শিশু সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা

খালি নেই হোটেলের রুম, লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকরা 

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

সপ্তাহিক ছুটিতে যেনো জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। পর্যটকদের অনেকেই হোটেলে রুম না পেয়ে লাগেজ বা ব্যাগ নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন বালিয়াড়িতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের কোথাও খালি কক্ষ নেই।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর পর্যটন পল্লি, হিমছড়ির ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানী-পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন মাথিন কূপ, নেচার পার্ক, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ পল্লীসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো এখন জমজমাট। রুম না পেয়ে বাধ্য হয়ে কক্সবাজারও ছাড়তে হচ্ছে অনেককে।

শুক্রবার (২০ডিসেম্বর) সকাল থেকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, বালিয়াড়িতে ভিড় করেছে লাখো পর্যটক। বালিয়াড়ির সামনে নীল জলরাশিতেও মানুষের ভিড়। সবাই মেতেছেন বাধভাঙ্গা আনন্দ-উল্লাসে।

ভোলা থেকে আগত পর্যটক শাহিন বলেন,গতকাল রাতে কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছি।রাত থেকে এখনো রুম পাইনি।বাধ্য হয়ে সৈকতের চেয়ারে রাত কাটিয়েছি।রুম যখন পাচ্ছি না তাই বাধ্য হয়ে হয়ে চলে যাচ্ছি।

শফিক নামে আরেক পর্যটক বলেন, ভোরে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে ভ্রমনে এসেছি।এখনো পর্যন্ত রুম পাইনি। কটেজে ২টি রুম পেয়েছি সেটি মানসম্মত না। উল্টো প্রতি রাত ১০হাজার করে খুঁজে। এখন বীচে পা ভিজিয়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

সৈকত নামে আরেক পর্যটক বলেন, বাস থেকে নেমে এখনো রুম পাইনি। রুম খুঁজতেছি। কিন্তু এখনো সৈকতে পা রাখার সুযোগ হয়নি।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, সপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেল রুম খালি নেই।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের আগমন হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি।