ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জননেতা নুরুল আবছারে চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর আহবান বাড়লো তেলের দাম: ডিজেল ১১৫, পেট্রোল ১৩৫ ও অকটেন ১৪০ টাকা টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ‘মালয়েশিয়া এয়ারপোর্ট’ কচ্ছপিয়া ও নোয়াখালী পাড়া: চলছে মানবপাচার ও অপহরণ উখিয়ায় গলায় ফাঁস লাগানো সেই কিশোরের মৃত্যু জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় দেশের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আগামীর সময়ের কক্সবাজার প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক ইমরান হোসাইন নিজের অস্ত্রের গু’লিতে পুলিশ সদস্য নি’হ’ত কচ্ছপিয়ায় কৃষি কর্মকর্তা জহিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান মানবতার দায়: বৈশ্বিক সহায়তা ও আইনগত পদক্ষেপ এখন জরুরি শুরু হলো হজযাত্রা, প্রথম ফ্লাইটে ৪১৯ বাংলাদেশি জেদ্দায়

কক্সবাজার নিয়ে গোলটেবিল কিন্তু স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নেই: প্রতিবাদ

রয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ গোলটেবিল বৈঠকে স্থানীয়দের অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স’ নামের ঢাকা ভিত্তিক কক্সবাজারবাসীদের একটি সংগঠন।

সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলে, উন্নয়ন সংস্থা আনন্দ, ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমন পদক্ষেপ কেবল দৃষ্টিকটু নয়, বরং আলোচনার মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।

কক্সবাজারের মতো একটি বিশেষায়িত অঞ্চলের স্বার্থ নিয়ে যে কোনো আলোচনা স্থানীয় অংশগ্রহণ ছাড়া অসম্পূর্ণ। প্রথম আলোর মতো গণমাধ্যম জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করলেও, এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত না করার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়েছে।
আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স গত কয়েক মাসে দু’টি সফল সংলাপ আয়োজন করেছি যেখানে স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা, ও করণীয় নিয়ে সরাসরি আলাপ হয়েছে। এসব সংলাপে সরকারি নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

১. ভবিষ্যতে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আলোচনায় স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. এ ধরনের বৈঠকে বৈষম্যমূলক অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে সবার জন্য ন্যায্য অংশগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা না হলে ভুল বার্তা পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে।
বর্তমানে কক্সবাজারের স্থানীয়রা দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত, এবং তাঁদের অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। গোলটেবিল বৈঠকগুলোতে তাঁদের সম্পৃক্ত না করার প্রবণতা সংশ্লিষ্টতা ও কার্যকারিতার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা গণমাধ্যম এবং আয়োজকদের আন্তরিক অনুরোধ জানাই, ভবিষ্যতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ন্যায়সঙ্গত, কার্যকর, ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জননেতা নুরুল আবছারে চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর আহবান

কক্সবাজার নিয়ে গোলটেবিল কিন্তু স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নেই: প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

রয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ গোলটেবিল বৈঠকে স্থানীয়দের অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স’ নামের ঢাকা ভিত্তিক কক্সবাজারবাসীদের একটি সংগঠন।

সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলে, উন্নয়ন সংস্থা আনন্দ, ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমন পদক্ষেপ কেবল দৃষ্টিকটু নয়, বরং আলোচনার মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।

কক্সবাজারের মতো একটি বিশেষায়িত অঞ্চলের স্বার্থ নিয়ে যে কোনো আলোচনা স্থানীয় অংশগ্রহণ ছাড়া অসম্পূর্ণ। প্রথম আলোর মতো গণমাধ্যম জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করলেও, এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত না করার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়েছে।
আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স গত কয়েক মাসে দু’টি সফল সংলাপ আয়োজন করেছি যেখানে স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা, ও করণীয় নিয়ে সরাসরি আলাপ হয়েছে। এসব সংলাপে সরকারি নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

১. ভবিষ্যতে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আলোচনায় স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. এ ধরনের বৈঠকে বৈষম্যমূলক অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে সবার জন্য ন্যায্য অংশগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা না হলে ভুল বার্তা পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে।
বর্তমানে কক্সবাজারের স্থানীয়রা দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত, এবং তাঁদের অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। গোলটেবিল বৈঠকগুলোতে তাঁদের সম্পৃক্ত না করার প্রবণতা সংশ্লিষ্টতা ও কার্যকারিতার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা গণমাধ্যম এবং আয়োজকদের আন্তরিক অনুরোধ জানাই, ভবিষ্যতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ন্যায়সঙ্গত, কার্যকর, ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।