ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় ‘দ্বীপবর্তিকা’র উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ও আইকিউ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচেই ফিরতে পারেন নেইমার: আনচেলত্তি নেইমারকে ছাড়াই পানামার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশ ঘোষণা হিজাব পরায় তোপের মুখে বলিউড অভিনেত্রী দিল্লিতে বহুতল ভবন ধস, নিহত অন্তত ৯ দেশজুড়ে আরও বাড়বে গরম, চট্টগ্রামসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন নৌকার সমর্থক , উখিয়ার কৃষকদল আহবায়ক দিলেন সাংবাদিকদের হুমকি! নাফ নদীতে রোহিঙ্গা ডাকাতদলের সাথে বিজিবির গোলাগুলি : ২ ডাকাত আটক কোরবানির পশুর নামকরণ ও ভূরাজনৈতিক সংবেদনশীলতা প্রেমিকাকে উদ্ধারে গিয়ে প্রেমিকের ওপর চড়াও পুলিশ, লঙ্কাকাণ্ড ৪০০ জনকে ঔষুধসহ ফ্রি চিকিৎসা দিলো কর্মবীর মোটরসাইকেল চালককে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা যাত্রীর মৃত্যু  টেকনাফে মাদক মামলায় ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি জহির গ্রেফতার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল

কক্সবাজার নিয়ে গোলটেবিল কিন্তু স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নেই: প্রতিবাদ

রয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ গোলটেবিল বৈঠকে স্থানীয়দের অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স’ নামের ঢাকা ভিত্তিক কক্সবাজারবাসীদের একটি সংগঠন।

সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলে, উন্নয়ন সংস্থা আনন্দ, ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমন পদক্ষেপ কেবল দৃষ্টিকটু নয়, বরং আলোচনার মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।

কক্সবাজারের মতো একটি বিশেষায়িত অঞ্চলের স্বার্থ নিয়ে যে কোনো আলোচনা স্থানীয় অংশগ্রহণ ছাড়া অসম্পূর্ণ। প্রথম আলোর মতো গণমাধ্যম জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করলেও, এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত না করার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়েছে।
আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স গত কয়েক মাসে দু’টি সফল সংলাপ আয়োজন করেছি যেখানে স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা, ও করণীয় নিয়ে সরাসরি আলাপ হয়েছে। এসব সংলাপে সরকারি নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

১. ভবিষ্যতে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আলোচনায় স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. এ ধরনের বৈঠকে বৈষম্যমূলক অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে সবার জন্য ন্যায্য অংশগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা না হলে ভুল বার্তা পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে।
বর্তমানে কক্সবাজারের স্থানীয়রা দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত, এবং তাঁদের অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। গোলটেবিল বৈঠকগুলোতে তাঁদের সম্পৃক্ত না করার প্রবণতা সংশ্লিষ্টতা ও কার্যকারিতার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা গণমাধ্যম এবং আয়োজকদের আন্তরিক অনুরোধ জানাই, ভবিষ্যতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ন্যায়সঙ্গত, কার্যকর, ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় ‘দ্বীপবর্তিকা’র উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ও আইকিউ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার নিয়ে গোলটেবিল কিন্তু স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নেই: প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

রয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ গোলটেবিল বৈঠকে স্থানীয়দের অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স’ নামের ঢাকা ভিত্তিক কক্সবাজারবাসীদের একটি সংগঠন।

সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলে, উন্নয়ন সংস্থা আনন্দ, ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমন পদক্ষেপ কেবল দৃষ্টিকটু নয়, বরং আলোচনার মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।

কক্সবাজারের মতো একটি বিশেষায়িত অঞ্চলের স্বার্থ নিয়ে যে কোনো আলোচনা স্থানীয় অংশগ্রহণ ছাড়া অসম্পূর্ণ। প্রথম আলোর মতো গণমাধ্যম জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করলেও, এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত না করার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়েছে।
আমরা কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স গত কয়েক মাসে দু’টি সফল সংলাপ আয়োজন করেছি যেখানে স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা, ও করণীয় নিয়ে সরাসরি আলাপ হয়েছে। এসব সংলাপে সরকারি নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

১. ভবিষ্যতে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আলোচনায় স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. এ ধরনের বৈঠকে বৈষম্যমূলক অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে সবার জন্য ন্যায্য অংশগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা না হলে ভুল বার্তা পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে।
বর্তমানে কক্সবাজারের স্থানীয়রা দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত, এবং তাঁদের অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। গোলটেবিল বৈঠকগুলোতে তাঁদের সম্পৃক্ত না করার প্রবণতা সংশ্লিষ্টতা ও কার্যকারিতার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা গণমাধ্যম এবং আয়োজকদের আন্তরিক অনুরোধ জানাই, ভবিষ্যতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ন্যায়সঙ্গত, কার্যকর, ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।