ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন

কক্সবাজারে পর্যটন উন্নয়নে প্রমোশনাল পরিকল্পনা কর্মশালা

কক্সবাজারের নির্বাচিত আটটি ট্যুরিজম ডেস্টিনেশনের প্রোমোশন পরিকল্পনার উপর এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় পর্যটন গন্তব্যগুলোর ব্র্যান্ডিং ও প্রচারণার মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটন খাতের উন্নয়ন সাধন করা।

 

বুধবার একটি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মাশালার শুভেচ্ছা বক্তব্যে এনরুট ইন্টারন্যাশনালের এমডি এবং সিইও, আবু দাউদ খান, কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “এই কর্মশালাটি কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ এবং টেকসই করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

 

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এডিশনাল ডেপুটি কমিশনার, রুবাইয়া আফরোজ আয়োজক আইএলও এবং এনরুটকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “কক্সবাজারের সমুদ্র, পাহাড় ছাড়াও বৌদ্ধ বিহার, চা বাগান, রাবার বাগানসহ বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় স্থান রয়েছে, যেখানে সম্মিলিতভাবে কাজ করা গেলে কক্সবাজারের পর্যটনে আশানুরূপ উন্নয়ন সম্ভব।”

তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটনমুখী বিভিন্ন পরিকল্পনা যেমন ভ্রমণিকা অ্যাপের কথা উল্লেখ করেন, যার মাধ্যমে পর্যটকরা তাদের বাজেট অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য পেয়ে থাকেন। এছাড়া তিনি স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলার অনুরোধ জানান।

 

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি, মোঃ আপেল মাহমুদ বলেন, “কক্সবাজারের পর্যটন উন্নয়নে পর্যটন সম্পর্কিত সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করতে হবে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে কক্সবাজারের রেল স্টেশন, রাস্তাঘাট এবং আন্তর্জাতিক মানের এয়ারপোর্ট বাস্তবায়িত হয়েছে, যার ফলে পর্যটকরা সহজেই কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারছেন এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের সমসাময়িক কার্যক্রমে কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমেছে।” তিনি কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষার মাধ্যমে বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণে জোর দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী কক্সবাজারে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ডাটাবেস না থাকার ফলে সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, “আমাদের বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে যেন পর্যটকরা কক্সবাজারে নিরাপদ বোধ করেন।” এছাড়া তিনি হোটেল-মোটেল সমূহের কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটির গুরুত্বও উল্লেখ করেন।

আইএলও এর কক্সবাজার সাব অফিস হেড, রুচিকা বাহাল কক্সবাজারের পর্যটন উন্নয়নে আইএলও এর সমসাময়িক কার্যক্রম ও পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরেন।

এ কর্মশালাটি কক্সবাজারের পর্যটন খাতের স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করে একটি সমন্বিত এবং টেকসই পর্যটন প্রচারণা পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা স্থানীয় সম্প্রদায় এবং পর্যটকদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে জানানো হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী

কক্সবাজারে পর্যটন উন্নয়নে প্রমোশনাল পরিকল্পনা কর্মশালা

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

কক্সবাজারের নির্বাচিত আটটি ট্যুরিজম ডেস্টিনেশনের প্রোমোশন পরিকল্পনার উপর এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় পর্যটন গন্তব্যগুলোর ব্র্যান্ডিং ও প্রচারণার মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটন খাতের উন্নয়ন সাধন করা।

 

বুধবার একটি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মাশালার শুভেচ্ছা বক্তব্যে এনরুট ইন্টারন্যাশনালের এমডি এবং সিইও, আবু দাউদ খান, কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “এই কর্মশালাটি কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ এবং টেকসই করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

 

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এডিশনাল ডেপুটি কমিশনার, রুবাইয়া আফরোজ আয়োজক আইএলও এবং এনরুটকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “কক্সবাজারের সমুদ্র, পাহাড় ছাড়াও বৌদ্ধ বিহার, চা বাগান, রাবার বাগানসহ বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় স্থান রয়েছে, যেখানে সম্মিলিতভাবে কাজ করা গেলে কক্সবাজারের পর্যটনে আশানুরূপ উন্নয়ন সম্ভব।”

তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটনমুখী বিভিন্ন পরিকল্পনা যেমন ভ্রমণিকা অ্যাপের কথা উল্লেখ করেন, যার মাধ্যমে পর্যটকরা তাদের বাজেট অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য পেয়ে থাকেন। এছাড়া তিনি স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলার অনুরোধ জানান।

 

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি, মোঃ আপেল মাহমুদ বলেন, “কক্সবাজারের পর্যটন উন্নয়নে পর্যটন সম্পর্কিত সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করতে হবে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে কক্সবাজারের রেল স্টেশন, রাস্তাঘাট এবং আন্তর্জাতিক মানের এয়ারপোর্ট বাস্তবায়িত হয়েছে, যার ফলে পর্যটকরা সহজেই কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারছেন এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের সমসাময়িক কার্যক্রমে কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমেছে।” তিনি কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষার মাধ্যমে বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণে জোর দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী কক্সবাজারে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ডাটাবেস না থাকার ফলে সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, “আমাদের বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে যেন পর্যটকরা কক্সবাজারে নিরাপদ বোধ করেন।” এছাড়া তিনি হোটেল-মোটেল সমূহের কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটির গুরুত্বও উল্লেখ করেন।

আইএলও এর কক্সবাজার সাব অফিস হেড, রুচিকা বাহাল কক্সবাজারের পর্যটন উন্নয়নে আইএলও এর সমসাময়িক কার্যক্রম ও পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরেন।

এ কর্মশালাটি কক্সবাজারের পর্যটন খাতের স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করে একটি সমন্বিত এবং টেকসই পর্যটন প্রচারণা পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা স্থানীয় সম্প্রদায় এবং পর্যটকদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে জানানো হয়।