চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে ইতোমধ্যে তিন দফা কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। তবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের তুলনায় এ অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (৭এপ্রিল) রাতে জেলায় প্রায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যায় এবং বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় ছিল।
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, মৌসুমের শুরু থেকেই বায়ুমণ্ডলে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এর ফলে ইতোমধ্যে কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়েছে। কক্সবাজারে (২১মার্চ) ঈদের দিন, গত সোমবার ও মঙ্গলবারসহ তিন দফা ঝড় হলেও এর তীব্রতা তুলনামূলক কম ছিল।
তিনি আরও বলেন, আজ থেকে শনিবার (১১এপ্রিল) পর্যন্ত বিকাল বা সন্ধ্যার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও তা কালবৈশাখীর আকার ধারণ করতে পারে।
এ অবস্থায় ঝড়ের সময় খোলা স্থানে অবস্থান না করা, গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং বজ্রপাতের সময় ঘরের ভেতরে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। উপকূলীয় এলাকায় অপ্রয়োজনে সমুদ্রে না যাওয়ারও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা বেশি। এসব অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা বেশি হওয়ায় জনজীবনে প্রভাবও তুলনামূলক বেশি পড়ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে কক্সবাজার, এখনো তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে রয়েছে।
রাহুল মহাজন: 
























