ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক কক্সবাজার সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি

কক্সবাজারে তিন দফা কালবৈশাখী, তীব্রতা কম-সামনে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে ইতোমধ্যে তিন দফা কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। তবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের তুলনায় এ অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (৭এপ্রিল) রাতে জেলায় প্রায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যায় এবং বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় ছিল।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, মৌসুমের শুরু থেকেই বায়ুমণ্ডলে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এর ফলে ইতোমধ্যে কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়েছে। কক্সবাজারে (২১মার্চ) ঈদের দিন, গত সোমবার ও মঙ্গলবারসহ তিন দফা ঝড় হলেও এর তীব্রতা তুলনামূলক কম ছিল।

তিনি আরও বলেন, আজ থেকে শনিবার (১১এপ্রিল) পর্যন্ত বিকাল বা সন্ধ্যার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও তা কালবৈশাখীর আকার ধারণ করতে পারে।

এ অবস্থায় ঝড়ের সময় খোলা স্থানে অবস্থান না করা, গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং বজ্রপাতের সময় ঘরের ভেতরে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। উপকূলীয় এলাকায় অপ্রয়োজনে সমুদ্রে না যাওয়ারও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা বেশি। এসব অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা বেশি হওয়ায় জনজীবনে প্রভাবও তুলনামূলক বেশি পড়ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে কক্সবাজার, এখনো তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে রয়েছে।

ট্যাগ :

দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে তিন দফা কালবৈশাখী, তীব্রতা কম-সামনে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৫:৫০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে ইতোমধ্যে তিন দফা কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। তবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের তুলনায় এ অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (৭এপ্রিল) রাতে জেলায় প্রায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যায় এবং বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় ছিল।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, মৌসুমের শুরু থেকেই বায়ুমণ্ডলে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এর ফলে ইতোমধ্যে কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়েছে। কক্সবাজারে (২১মার্চ) ঈদের দিন, গত সোমবার ও মঙ্গলবারসহ তিন দফা ঝড় হলেও এর তীব্রতা তুলনামূলক কম ছিল।

তিনি আরও বলেন, আজ থেকে শনিবার (১১এপ্রিল) পর্যন্ত বিকাল বা সন্ধ্যার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও তা কালবৈশাখীর আকার ধারণ করতে পারে।

এ অবস্থায় ঝড়ের সময় খোলা স্থানে অবস্থান না করা, গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং বজ্রপাতের সময় ঘরের ভেতরে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। উপকূলীয় এলাকায় অপ্রয়োজনে সমুদ্রে না যাওয়ারও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা বেশি। এসব অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা বেশি হওয়ায় জনজীবনে প্রভাবও তুলনামূলক বেশি পড়ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে কক্সবাজার, এখনো তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে রয়েছে।