ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মায়েরা যথাযথ ভূমিকা পালন করলে ছেলেমেয়েরা অবশ্যই শিক্ষিত হবে’ দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জলাশয়ে নারীর মরদেহ উদ্ধার “অদম্য নারী” পুরস্কার পেলেন কক্সবাজারের ১১ নারী খুনিয়া পালংয়ে বন্য হাতির আক্রমণে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু দুই মামলায় সাবেক মেয়র আইভীর জামিন ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হোটেল কক্ষে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার, নগদ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বজ্রপাত, আহত ৫ নারী বাসযাত্রীর ব্যাগে মিললো ২.৭ কেজি গাঁজা জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামবাসীর কষ্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার অবৈধভাবে রোহিঙ্গাদের নগদ টাকা বিতরণ, তদন্তের মুখে এনজিও সওয়াব

মামলা নিয়ে বিরোধ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

কক্সবাজার শহরের পর্যটন জোনে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে শওকত আলম (৩২) নামে এক ইজিবাইক চালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে শহরের হোটেল-মোটেল জোন এলাকার সিলভার বে রিসোর্টের সামনে সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শওকত আলম টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত আবু সিদ্দিক (৩৫) নিহতের বন্ধু এবং একই এলাকার ইমান হোসেনের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শওকতের পরিবার গত ১৫ বছর ধরে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের কলেজ গেইট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। একই এলাকায় বসবাস করতেন তার বন্ধু আবু সিদ্দিকও। সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক অপহরণ মামলা রয়েছে। যেগুলোতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।

নিহতের স্ত্রী সূরা খাতুন ও স্বজনদের অভিযোগ, ওই অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করেই শওকত ও সিদ্দিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জীবিকার তাগিদে ইজিবাইক নিয়ে বের হন শওকত। রাত ১১টার দিকে পর্যটন জোন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে সিদ্দিকের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আবু সিদ্দিক ও তার সঙ্গে থাকা আরও ২-৩ জন মিলে শওকতকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে এক স্থানীয় যুবক শওকতকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মামলা নিয়ে বিরোধ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

আপডেট সময় : ০৬:২৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজার শহরের পর্যটন জোনে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে শওকত আলম (৩২) নামে এক ইজিবাইক চালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে শহরের হোটেল-মোটেল জোন এলাকার সিলভার বে রিসোর্টের সামনে সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শওকত আলম টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত আবু সিদ্দিক (৩৫) নিহতের বন্ধু এবং একই এলাকার ইমান হোসেনের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শওকতের পরিবার গত ১৫ বছর ধরে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের কলেজ গেইট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। একই এলাকায় বসবাস করতেন তার বন্ধু আবু সিদ্দিকও। সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক অপহরণ মামলা রয়েছে। যেগুলোতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।

নিহতের স্ত্রী সূরা খাতুন ও স্বজনদের অভিযোগ, ওই অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করেই শওকত ও সিদ্দিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জীবিকার তাগিদে ইজিবাইক নিয়ে বের হন শওকত। রাত ১১টার দিকে পর্যটন জোন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে সিদ্দিকের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আবু সিদ্দিক ও তার সঙ্গে থাকা আরও ২-৩ জন মিলে শওকতকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে এক স্থানীয় যুবক শওকতকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।”