ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজিম মেম্বার এখন পেকুয়ার বিএনপির সুসময়ের বন্ধু! লামায় জব্দ করা ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালুর নিলাম : সরকারি কোষাগারে জমা ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন : সভাপতি-সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০ প্রার্থীর লড়াই সিটি কর্পোরেশন হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা থাকবে না উখিয়ায় নিখোঁজের ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার ৭ বছর বয়সী পূর্ণ বড়ুয়া, পরিবারের কাছে হস্তান্তর উখিয়ায় মানসিক রোগী তিন সন্তানের জননী নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার রামুতে ​মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি জেলে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন নৌকা কক্সবাজার সিটি কলেজ এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় মুবিন আটক রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে পানিতে পড়ে নিখোঁজ, ১৮ ঘণ্টা পর শামীমের মরদেহ উদ্ধার সাভারে পুলিশের এসআইকে পিটিয়ে হত্যা চৌফলদন্ডীকে প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে নাগরিক ঐক্য পরিষদ গঠন সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান :ছিনতাইয়ের অভিযোগে সম্রাট নামের যুবক আটক

উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কক্সবাজারের নাজিরারটেকে প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। শনিবার ৮ ফেব্রুয়ারি মৎস্যজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত বা প্যাকেটজাত পন্য কিভাবে সাগর ও পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর পরিণাম কি হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্মসূচিটির আয়োজন করে GenLab। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০ টি মৎস্যজীবী পরিবার, ২৫ জন স্কুল শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় মৎস্যজীবী, মৎস্যজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সদস্যগণ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মাধ্যমে প্রায় ৮০ কেজি প্লাস্টিকজাত বর্জ্য সংগ্রহ করেন।

প্রধান অতিথি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব সুজিত রায় তার বক্তব্যে বলেন, সাগরে প্লাস্টিকদূষণ বৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন আশংকাজনকহারে কমে যাবে। তাছাড়া মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের দেহে প্রবেশ করে পরবর্তীতে মানুষের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টি করবে। তাই প্লাস্টিক ব্যবহার এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলকে সচেতন হতে হবে।

মৎস্যজীবী লিডার জনাব আবুল কাশেম বলেন, আমরা মৎস্যজীবীরা যেসব প্লাস্টিকজাত খাবার বা পানীয় নিয়ে সাগরে যাই সেগুলোর প্যাকেট সাগরে না ফেলে কূলে নিয়ে এসে বর্জ্য ফেলার স্থানে ফেলব। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহৃত বর্জ্যও যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
কর্মসূচির শেষে মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকলে জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার লক্ষ্যে জলবায়ু শপথ পাঠ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আজিম মেম্বার এখন পেকুয়ার বিএনপির সুসময়ের বন্ধু!

উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের নাজিরারটেকে প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। শনিবার ৮ ফেব্রুয়ারি মৎস্যজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত বা প্যাকেটজাত পন্য কিভাবে সাগর ও পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর পরিণাম কি হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্মসূচিটির আয়োজন করে GenLab। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০ টি মৎস্যজীবী পরিবার, ২৫ জন স্কুল শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় মৎস্যজীবী, মৎস্যজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সদস্যগণ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মাধ্যমে প্রায় ৮০ কেজি প্লাস্টিকজাত বর্জ্য সংগ্রহ করেন।

প্রধান অতিথি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব সুজিত রায় তার বক্তব্যে বলেন, সাগরে প্লাস্টিকদূষণ বৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন আশংকাজনকহারে কমে যাবে। তাছাড়া মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের দেহে প্রবেশ করে পরবর্তীতে মানুষের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টি করবে। তাই প্লাস্টিক ব্যবহার এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলকে সচেতন হতে হবে।

মৎস্যজীবী লিডার জনাব আবুল কাশেম বলেন, আমরা মৎস্যজীবীরা যেসব প্লাস্টিকজাত খাবার বা পানীয় নিয়ে সাগরে যাই সেগুলোর প্যাকেট সাগরে না ফেলে কূলে নিয়ে এসে বর্জ্য ফেলার স্থানে ফেলব। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহৃত বর্জ্যও যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
কর্মসূচির শেষে মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকলে জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার লক্ষ্যে জলবায়ু শপথ পাঠ করেন।