ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদরাসা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিক্ষককে পিটিয়ে আহত কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার ওভারটেকের সময় ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো সিএনজি, প্রাণ গেল দুই যাত্রীর পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী

অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচলেন সেই চাকমা যুবক

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহৃত এক চাকমা যুবক আজ সকালে অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে এসেছেন।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ১০ টায় তিনি কৌশলে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে পুলিশ ।

আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।

পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি।আজ ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।

গতকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে কৃষিকাজের সময় ২০–৩০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল ওই যুবককে অপহরণ করে। অপহৃত যুবকের নাম সংকুচিং (৩৫)।

এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া অপর এক ব্যক্তি, বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০), আগেই পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যেই এ অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদরাসা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিক্ষককে পিটিয়ে আহত

অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচলেন সেই চাকমা যুবক

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহৃত এক চাকমা যুবক আজ সকালে অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে এসেছেন।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ১০ টায় তিনি কৌশলে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে পুলিশ ।

আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।

পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি।আজ ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।

গতকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে কৃষিকাজের সময় ২০–৩০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল ওই যুবককে অপহরণ করে। অপহৃত যুবকের নাম সংকুচিং (৩৫)।

এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া অপর এক ব্যক্তি, বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০), আগেই পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যেই এ অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।