ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাত ৮টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্যমুক্ত হবে কক্সবাজার শহর: পৌরসভার ৩০০ কর্মী মাঠে খুরুশকুল শুটকি পল্লী থেকে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর মরদেহ উদ্ধার আবারো সেই কোরবানি ঈদ, অশ্রুসিক্ত রোহিঙ্গাদের চোখে-মুখে আরকান গর্জনিয়াবাসীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফিজের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কোরবানি: ইবাদত, না সামাজিক প্রতিযোগিতা? সালাহউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে কোরবানি হচ্ছে না ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ কোরবানির গরু নিয়ে বাহারছড়াবাসীর ব্যতিক্রমী ক্যাটেল শো টেকনাফ টেলিভিশন জার্নালিস্ট সোসাইটির আহবায়ক কমিটি: আকাশ আহবায়ক,সচিব সোহেল সরকারের ১০০ দিন: সাংবাদিকদের বিচার কোন পর্যায়ে চট্টগ্রাম পেরিয়ে চকরিয়ার দিকে বজ্রমেঘ, কক্সবাজারে হতে পারে বৃষ্টি মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে এসির গ্যাস লিকেজে ৬ শিশুর মৃত্যু পরিচ্ছন্ন উপায়ে কোরবানি সম্পন্ন করার আহ্বান প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর ‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন

২৯ এপ্রিলকে জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস ঘোষণার দাবী কসউবি প্রাক্তনীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ, বিলীন হয় ফসলের ক্ষেত ও গবাদিপশু, ধ্বংস হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। কক্সবাজারের নয়টি উপজেলা ও উপকূলীয় হাজারো গ্রাম সম্পূর্ণভাবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে কক্সবাজার, বহুদিন ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা এবং ভবিষ্যতে দুর্যোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৯ এপ্রিলকে ‘জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবী জানিয়েছে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর এ দাবীতে পাঠানো স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করে, সংগঠনটি কক্সবাজারের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি, কক্সবাজারের সার্বিক কল্যাণে প্রাক্তন ছাত্রদের উদ্দীপিত করা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কসউবি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আহবায়ক এম সিরাজুল ইসলাম জানান, ২৯ এপ্রিলকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দুর্যোগ বিষয়ে অধিকতর সচেতন হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধেও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করবে এবং সমগ্র জাতির মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতির মনোভাব জোরদার করবে।

মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমদ প্রাক্তনীদের কাছ থেকে ওই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এসময় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাত ৮টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্যমুক্ত হবে কক্সবাজার শহর: পৌরসভার ৩০০ কর্মী মাঠে

২৯ এপ্রিলকে জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস ঘোষণার দাবী কসউবি প্রাক্তনীদের

আপডেট সময় : ০২:২০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ, বিলীন হয় ফসলের ক্ষেত ও গবাদিপশু, ধ্বংস হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। কক্সবাজারের নয়টি উপজেলা ও উপকূলীয় হাজারো গ্রাম সম্পূর্ণভাবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে কক্সবাজার, বহুদিন ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা এবং ভবিষ্যতে দুর্যোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৯ এপ্রিলকে ‘জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবী জানিয়েছে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর এ দাবীতে পাঠানো স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করে, সংগঠনটি কক্সবাজারের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি, কক্সবাজারের সার্বিক কল্যাণে প্রাক্তন ছাত্রদের উদ্দীপিত করা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কসউবি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আহবায়ক এম সিরাজুল ইসলাম জানান, ২৯ এপ্রিলকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দুর্যোগ বিষয়ে অধিকতর সচেতন হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধেও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করবে এবং সমগ্র জাতির মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতির মনোভাব জোরদার করবে।

মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমদ প্রাক্তনীদের কাছ থেকে ওই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এসময় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন