ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে পাচারকালে ৩০ লক্ষ টাকার ঔষধ জব্দ : আটক ৩ সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিগুলোতে কী লেখা ছিল? পুলিশ সুপারের সাথে নিহত একরামের পিতা-মাতার সাক্ষাত: সন্তান হত্যার বিচার দাবি পেকুয়ায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৯তম শুভ আবির্ভাব উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী মহোৎসব সম্পন্ন বাফুফের একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছে কালারমারছড়া ফুটবল একাডেমি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা বাইকের জন্য প্রাণ দিতে হলো সাইফুলকে! কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযান : ২৪ ঘন্টায় আটক ২১ সাবরাং থেকে মিঠাছড়ির ৫ অপহৃত উদ্ধার : গ্রেপ্তার ১ কক্সবাজার সরকারি কলেজের হোস্টেল থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ শরীফা নামের ছাত্রী গ্রেপ্তার কক্সবাজার সরকারি কলেজের হোস্টেল থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ শরীফা নামের ছাত্রী গ্রেপ্তার

২৪ ঘন্টায় ৬০ জন ‘শয়তান শিকার’ কক্সবাজার পুলিশের!

গেলো ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বিভিন্ন থানা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট (Operation Devil Hunt) একটি বিশেষ অভিযান, দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। এর বাংলা অর্থ হলো- ‘শয়তান শিকারের অভিযান’।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জসীম উদ্দিন জানান, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন মামলায় ‘এজাহার নামীয়’ আসামী।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমীক লীগের নেতাকর্মী।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলমকে।

ওইদিন জাফরকে আদালতে তোলা ঘিরে চকরিয়ায় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। মূলত এরপর থেকে জেলা জুড়ে ফের শুরু হয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে পুলিশের তৎপরতা।

চকরিয়ার মিছিল ঘিরেই কী পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, “অনেকটা তাই। বিষয়টি হচ্ছে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ। এখন যদি তারা মিছিল করে এটা তো সরকারের আদেশ-নির্দেশনার উপেক্ষা। এগুলোর কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ আছে।”

“জেলার আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে তাদের আইনের আওয়াতায় আনা হচ্ছে” – বলেন জসীম উদ্দীন।

এদিকে জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এবারের অভিযানে আটক বেশিরভাগই আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার আদালতে আনতে দেখা গেছে গ্রেফতার নেতাদের অনেককেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

২৪ ঘন্টায় ৬০ জন ‘শয়তান শিকার’ কক্সবাজার পুলিশের!

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

গেলো ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বিভিন্ন থানা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট (Operation Devil Hunt) একটি বিশেষ অভিযান, দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। এর বাংলা অর্থ হলো- ‘শয়তান শিকারের অভিযান’।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জসীম উদ্দিন জানান, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন মামলায় ‘এজাহার নামীয়’ আসামী।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমীক লীগের নেতাকর্মী।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলমকে।

ওইদিন জাফরকে আদালতে তোলা ঘিরে চকরিয়ায় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। মূলত এরপর থেকে জেলা জুড়ে ফের শুরু হয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে পুলিশের তৎপরতা।

চকরিয়ার মিছিল ঘিরেই কী পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, “অনেকটা তাই। বিষয়টি হচ্ছে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ। এখন যদি তারা মিছিল করে এটা তো সরকারের আদেশ-নির্দেশনার উপেক্ষা। এগুলোর কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ আছে।”

“জেলার আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে তাদের আইনের আওয়াতায় আনা হচ্ছে” – বলেন জসীম উদ্দীন।

এদিকে জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এবারের অভিযানে আটক বেশিরভাগই আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার আদালতে আনতে দেখা গেছে গ্রেফতার নেতাদের অনেককেই।