ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলো সৈকত খেলাঘর আসর নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ মিললো গর্তে কক্সবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল:গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিএনপিকে জনগণ নোট অব ডিসেন্ট দেবে খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝিনুকমালার নানান আয়োজন  পেকুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা কক্সবাজারে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার টেকনাফে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু হঠাৎ রমনা থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্কাউটসের শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড এর মৌখিক ও সাঁতার মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি : তারেক রহমান চকরিয়ায় ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে আটবছরের শিশু মেয়েকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক টেকনাফে গণপিটুনিতে ‘বাইন্না ডাকাত’ নিহত কচ্ছপিয়ার বড় জাংছড়ি খালে মাছ শিকারের উৎসবে  কক্সবাজারে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে বুদ্ধ পূর্ণিমা

২৪ ঘন্টায় ৬০ জন ‘শয়তান শিকার’ কক্সবাজার পুলিশের!

গেলো ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বিভিন্ন থানা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট (Operation Devil Hunt) একটি বিশেষ অভিযান, দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। এর বাংলা অর্থ হলো- ‘শয়তান শিকারের অভিযান’।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জসীম উদ্দিন জানান, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন মামলায় ‘এজাহার নামীয়’ আসামী।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমীক লীগের নেতাকর্মী।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলমকে।

ওইদিন জাফরকে আদালতে তোলা ঘিরে চকরিয়ায় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। মূলত এরপর থেকে জেলা জুড়ে ফের শুরু হয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে পুলিশের তৎপরতা।

চকরিয়ার মিছিল ঘিরেই কী পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, “অনেকটা তাই। বিষয়টি হচ্ছে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ। এখন যদি তারা মিছিল করে এটা তো সরকারের আদেশ-নির্দেশনার উপেক্ষা। এগুলোর কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ আছে।”

“জেলার আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে তাদের আইনের আওয়াতায় আনা হচ্ছে” – বলেন জসীম উদ্দীন।

এদিকে জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এবারের অভিযানে আটক বেশিরভাগই আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার আদালতে আনতে দেখা গেছে গ্রেফতার নেতাদের অনেককেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ

২৪ ঘন্টায় ৬০ জন ‘শয়তান শিকার’ কক্সবাজার পুলিশের!

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

গেলো ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বিভিন্ন থানা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট (Operation Devil Hunt) একটি বিশেষ অভিযান, দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। এর বাংলা অর্থ হলো- ‘শয়তান শিকারের অভিযান’।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জসীম উদ্দিন জানান, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন মামলায় ‘এজাহার নামীয়’ আসামী।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমীক লীগের নেতাকর্মী।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলমকে।

ওইদিন জাফরকে আদালতে তোলা ঘিরে চকরিয়ায় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। মূলত এরপর থেকে জেলা জুড়ে ফের শুরু হয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে পুলিশের তৎপরতা।

চকরিয়ার মিছিল ঘিরেই কী পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, “অনেকটা তাই। বিষয়টি হচ্ছে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ। এখন যদি তারা মিছিল করে এটা তো সরকারের আদেশ-নির্দেশনার উপেক্ষা। এগুলোর কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ আছে।”

“জেলার আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে তাদের আইনের আওয়াতায় আনা হচ্ছে” – বলেন জসীম উদ্দীন।

এদিকে জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এবারের অভিযানে আটক বেশিরভাগই আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার আদালতে আনতে দেখা গেছে গ্রেফতার নেতাদের অনেককেই।