ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল! বুধবার পরীক্ষা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের কুতুবদিয়ায় নিহত জেলে পরিবারের পাশে ইউএনও: আর্থিক সহায়তা প্রদান কক্সবাজার থেকে অস্ত্র কিনে নিয়ে যাচ্ছিল ঢাকায় : লোহাগাড়ায় পুলিশের হাতে দুটি অস্ত্রসহ আটক ৩ মাথাগোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে লোহাগাড়ার আবদুল বারীর আর্তনাদ, — পাশে দাঁড়ানোর আকুতি এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কক্সবাজারে পাঁচ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম

১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু ও তার মাকে খুঁজছে পুলিশ।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, “সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।”

এ বিষয়ে জানতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আনোয়ারের মোবাইল ফোন ও হোয়াসটঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।”

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০১:৪৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু ও তার মাকে খুঁজছে পুলিশ।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, “সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।”

এ বিষয়ে জানতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আনোয়ারের মোবাইল ফোন ও হোয়াসটঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।”

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম