ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে চালু হলো মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিন ট্রাইব্যুনাল পড়ে আছে মহেশখালীর ৮ হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন নিখোঁজের ৮ বছর পর বালুখালীর জসিমকে  পঞ্চগড় থেকে ফিরে পেল পরিবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ বিশ্ব গণ্ডার দিবস আজ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০ মহেশখালীতে স্কুলছাত্রকে ডিশের ক্যাবল দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো শিক্ষক, থানায় অভিযোগ হঠাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিস্থিতি দেখতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক, যা বললেন

“জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই”: সেন্টমার্টিনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

  • নোমান অরুপ:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 389

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উপকূলীয় পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্টমার্টিন পৌঁছে সবুজায়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

এ-সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সেন্টমার্টিনের মতো সংবেদনশীল প্রবাল দ্বীপে পরিবেশ রক্ষা করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে আগামী পাঁচ বছরে। দ্বীপের মানুষের উচিত গাছের পরিচর্যা করা। জীব বৈচিত্র্য রক্ষা যেমন দরকার তেমনি মানুষের স্বাস্থ্য সেবাসহ অন্যান্য যা কিছু জড়িত সব ধরনের গাছকে রোপণ করা হবে।

দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাদেরকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনগণের স্বার্থ দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বের স্বার্থ দ্বীপের অস্তিত্ব সবকিছু নিয়েই সমন্বয় করে পরিকল্পনা করা হবে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন এবং বিজিএস-এর যৌথ উদ্যোগে ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার চারাগাছ রোপণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

​কর্মসূচির আওতায় দ্বীপে আম, পেয়ারা, বহেরা, হরীতকী, নিম, বাতাবি লেবু, কুল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল, সাগর লতা, হরগজা, কেয়া এবং নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে সমুদ্র সৈকত থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

আরো​ উপস্থিত ছিলেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনসাধারণ, পরিবেশকর্মী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কক্সবাজার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সমন্বয় অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক।

​উল্লেখ্য, পরিবেশ সুরক্ষায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গত ৩ বছরে দেশজুড়ে ৩২ লাখ চারা রোপণ করেছে এবং আগামী ৫ বছরে আরও ৭৫ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে সংস্থাটি সারাদেশে ১৫ লাখ এবং কক্সবাজার জেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৭০টি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

“জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই”: সেন্টমার্টিনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উপকূলীয় পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্টমার্টিন পৌঁছে সবুজায়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

এ-সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সেন্টমার্টিনের মতো সংবেদনশীল প্রবাল দ্বীপে পরিবেশ রক্ষা করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে আগামী পাঁচ বছরে। দ্বীপের মানুষের উচিত গাছের পরিচর্যা করা। জীব বৈচিত্র্য রক্ষা যেমন দরকার তেমনি মানুষের স্বাস্থ্য সেবাসহ অন্যান্য যা কিছু জড়িত সব ধরনের গাছকে রোপণ করা হবে।

দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাদেরকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনগণের স্বার্থ দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বের স্বার্থ দ্বীপের অস্তিত্ব সবকিছু নিয়েই সমন্বয় করে পরিকল্পনা করা হবে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এনরুট ফাউন্ডেশন এবং বিজিএস-এর যৌথ উদ্যোগে ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে দ্বীপজুড়ে ২০ হাজার চারাগাছ রোপণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

​কর্মসূচির আওতায় দ্বীপে আম, পেয়ারা, বহেরা, হরীতকী, নিম, বাতাবি লেবু, কুল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল, সাগর লতা, হরগজা, কেয়া এবং নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে সমুদ্র সৈকত থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

আরো​ উপস্থিত ছিলেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনসাধারণ, পরিবেশকর্মী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কক্সবাজার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সমন্বয় অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক।

​উল্লেখ্য, পরিবেশ সুরক্ষায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গত ৩ বছরে দেশজুড়ে ৩২ লাখ চারা রোপণ করেছে এবং আগামী ৫ বছরে আরও ৭৫ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে সংস্থাটি সারাদেশে ১৫ লাখ এবং কক্সবাজার জেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৭০টি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে।