ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কক্সবাজারের মেয়ে তাওয়াক্কুল নূর চৌধুরী স্নেহা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর জুডো বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, সারাদেশে গ্যাসের সংকট নির্ভীক, স্পষ্টবাদী ও সৎ সাংবাদিক ছিলেন আতাহার ইকবাল-লুৎফুর রহমান কাজল এমপি নেপালের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত কক্সবাজারের সন্তান সাংবাদিক ইরফান হোয়াইক্যংয়ের কাটাখালীতে এবার ২ কোটি টাকার ইয়াবা ছিনতাই পালংখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভার প্রতিবাদে বিএনপির মিছিল উখিয়ায় শ্যামল প্রকৃতি আর্ট স্কুলের দিনব্যাপী সংগীত কর্মশালা অনুষ্ঠিত কাঁচা মাছ খেয়ে ৩৬ দিন সাগরে ভাসছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই জেলে: উদ্ধার করলেন মহেশখালীর জেলেরা রোহিঙ্গা মাঝি এনায়েত উল্লাহর অত্যাচারে অতিষ্ঠ রোহিঙ্গারাই টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ উখিয়ায় বাসে অভিযান: ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আটক কুতুবদিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত লোহাগাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত আলমগীর মারা গেছেন

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।