ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারি বৃষ্টিতে উখিয়ার ছেপটখালীতে তলিয়ে গেল সংযোগ সড়ক, যাতায়াতে ভোগান্তি পেকুয়ায় বন্যার্তদের পাশে চিকিৎসক, ১,২০০ রোগীকে চিকিৎসা ও ৫০ পরিবারকে ঢেউটিন সহায়তা সাকিব আল হাসানের বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ হেয়াইক্যংয়ে ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুবেল গ্রেফতার কক্সবাজার শহরে পাহাড় ধস: বিধ্বস্ত বসতঘর, আহত নারী জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মহেশখালীতে শহীদ তানভীরের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন পেকুয়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আবারো এক শিশুর মৃত্যু কলাতলীতে পাহাড় ধসে ৫ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত : আহত ৩ মেরিন ড্রাইভে মিনিট্রাক উল্টে আহত ৮ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় এমপি স্বপ্না- গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে এখন গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: অপহৃত ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।