ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।