ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত এমপি কাজলের ডিও লেটার: রামুর ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি চন্দ্রিমায় আবু বক্কর মার্কেট দখলচেষ্টার মামলায় নুরুল ইসলাম ও আরাফাতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণ, নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার তারেক রহমানের নির্দেশনায় কক্সবাজারে কৃষক দলের ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন, উপকৃত ২২০ পরিবার কক্সবাজারে জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণ ঝিলংজা ইউনিয়নে পাহাড় ধসে নিহত পরিবারে পাশে সরওয়ার সাইদ মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত

কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।

রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।

ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”

তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।