ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে কি বলেছেন আইনমন্ত্রী? হারবাংয়ে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ‘বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশন’র অ্যাডহক কমিটির সদস্য হলেন কক্সবাজারের ইউসান রাখাইন ‘বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশন’র অ্যাডহক কমিটির সদস্য হলেন কক্সবাজারের ইউসান রাখাইন কক্সবাজার মানি লন্ডারিং মামলার আসামি মিজান গ্রেফতার প্রথাগত কূটনৈতিক তৎপরতায় রোহিঙ্গা সমাস্যার সমাধান সম্ভব নয় : শামা ওবায়েদ কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা থেকে রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ হত্যা মামলার আসামি আমিন গ্রেফতার প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে: ইসি সচিব মাতারবাড়ী প্রকল্পের সুফল স্থানীয়দের ঘরে পৌঁছাতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সমবায়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের আহ্বান, লামায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত উখিয়ার থাইংখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, ঝুঁকির মুখে সড়ক শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব আজ রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন অ্যাডভোকেট রহিম উল্লাহ বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে কি বলেছেন আইনমন্ত্রী?

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন আহ্বান ও প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে সরকার। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তা কতটা টেকসই হবে, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের একটি টেকসই পদ্ধতি: জাতীয় কৌশল ও বাহ্যিক অবদানের রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী।

সেমিনারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিদিন ৮০ থেকে ৮২টি শিশুর জন্ম হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এভাবে চলতে থাকলে শিবিরগুলোতে জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর মধ্য দিয়েই এ সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তবে প্রত্যাবাসনের আগে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে তাঁদের নাগরিকত্ব ও সব ধরনের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক মহলকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী। তাঁর মতে, রোহিঙ্গা সংকট কেবল বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়; এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব ও সহযোগিতার বিষয়ও জড়িত।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দরিদ্র দেশ দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা বহন করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

নাগরিকত্বের প্রস্তাব নিয়ে সরকারের বিবেচনার বিষয়টি তুলে ধরে আইনমন্ত্রী জানান, এ ধরনের সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে প্রধানমন্ত্রী একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন।

সরকারের অবস্থান ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন, সেখানে নাগরিকত্ব ও অধিকার নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি আইনমন্ত্রী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে কি বলেছেন আইনমন্ত্রী?

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে কি বলেছেন আইনমন্ত্রী?

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন আহ্বান ও প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে সরকার। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তা কতটা টেকসই হবে, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের একটি টেকসই পদ্ধতি: জাতীয় কৌশল ও বাহ্যিক অবদানের রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী।

সেমিনারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিদিন ৮০ থেকে ৮২টি শিশুর জন্ম হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এভাবে চলতে থাকলে শিবিরগুলোতে জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর মধ্য দিয়েই এ সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তবে প্রত্যাবাসনের আগে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে তাঁদের নাগরিকত্ব ও সব ধরনের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক মহলকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী। তাঁর মতে, রোহিঙ্গা সংকট কেবল বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়; এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব ও সহযোগিতার বিষয়ও জড়িত।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দরিদ্র দেশ দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা বহন করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

নাগরিকত্বের প্রস্তাব নিয়ে সরকারের বিবেচনার বিষয়টি তুলে ধরে আইনমন্ত্রী জানান, এ ধরনের সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে প্রধানমন্ত্রী একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন।

সরকারের অবস্থান ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন, সেখানে নাগরিকত্ব ও অধিকার নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি আইনমন্ত্রী।