পর্দা নামলো কক্সবাজারের পর্যটন মেলার। ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার ৩ দিনব্যাপী এ মেলার সমাপ্তি ঘটে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে।
দুই বছর পর অনুষ্ঠিত এ মেলার শেষ দিনে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
তবে মেলায় আসা অনেকের মতে, বিগত বছরগুলোতে এই মেলা ৭ দিনব্যাপী হতো এবং প্রতিদিন দেশের প্রখ্যাত শিল্পী ও ব্যান্ডদলের পরিবেশনা থাকতো। অথচ এবার কেবল স্থানীয় শিল্পীদের দিয়েই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়েছে।
কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ারছড়ার বাসিন্দা শাহনেওয়াজ বলেন, “মেলাটি আরও জাঁকজমকপূর্ণ হওয়া উচিত। আয়োজনের ব্যাপ্তি এমন হওয়া দরকার যাতে তা সারা দেশ জানতে পারে।”
তুলশী দাশ নামের এক কলেজ ছাত্রী জানান, মেলার সময়সীমা বাড়িয়ে অন্তত ৫ দিন করা উচিত এবং এর জন্য আরও ভালো প্রচার-প্রচারণার প্রয়োজন।
ঢাকার মিরপুর থেকে আসা পর্যটক আয়েশা খানম জানান, কক্সবাজারে ঘুরতে এসে মেলাটি দেখা তার জন্য একটি বাড়তি পাওনা। গত দুই দিন মেলাটি বেশ উপভোগ করেছেন এবং মেলার নারী উদ্যোক্তাদের স্টল থেকেও কেনাকাটা করেছেন বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে আয়োজনটি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই পর্যটক।
সমাপনী দিনে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাতে নির্বিঘ্নে কক্সবাজারে আসতে পারেন, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শীঘ্রই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করা হবে, যার ফলে কক্সবাজারের পর্যটনের চেহারাই বদলে যাবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব পর্যটন দিবসকে কেন্দ্র করে এই পর্যটন মেলা শুরু হয়। প্রতিদিন সৈকতের লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল। এবারের মেলায় মোট ৫০টি স্টল অংশ নেয়। শেষ দিনের সকালে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, বিচ ক্লিনিং ও ‘সি সেফ লাইফগার্ড’-এর জরুরি সেবা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে রাতে জনপ্রিয় গানের দল ‘অঁলা’-র পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















