ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঐক্যবদ্ধ থাকলে আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী সদর থানা পুলিশের অভিযান : ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ২৭ ২য় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলো ১৫৫৪ পর্যটক চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ উখিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বু/লে/টপ্রুফ ভেস্ট ও অ/স্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার সেনা সদস্য তিতাস শেখ হ/ত্যার বিচারের দাবিতে টেকনাফে বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ‘অভিযানে যাব, দোয়া কইরো’— মায়ের সঙ্গে সেনা সদস্যের শেষ কথা টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২৭৪১ টাকা লোহাগাড়ায় সার ডিলার নিয়োগে অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের তদন্তের নির্দেশ পেকুয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের লোহাগাড়ায় ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আজিজনগরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাছাই হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাহাড়সম অদক্ষতা চাপা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজারে গত ১ বছরে এসেছে ১০ জন বিদেশী পর্যটক!

দেশের অন্যতম ট্যুরিস্ট ডেসটিনেশন কক্সবাজার। দীর্ঘতম সৈকত আছে আছে, আছে সাগর আর পাহাড়ের মিলনস্থল। কিন্তু এখানে বছরে কতোজন পর্যটক আসে তা নিয়ে সঠিক পরিসংখ্যান নেই কারো কাছে। হোটেল মোটেলের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে একটা পরিসংখ্যান পাওয়া যায় বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ পর্যটক কক্সবাজারে আসে।

এই ৫০ লক্ষ পর্যটকের সকলেই দেশী পর্যটক। বিদেশী পর্যটক কতো আসে কক্সবাজারে, এমন প্রশ্নের উত্তর জানা নেই, নেই কোনো ডেটাবেজও।
​
জেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, হোটেল-মোটেল মালিক সমিতি কিংবা পর্যটন করপোরেশন—কারো কাছেই বিদেশি পর্যটক কতোজন কক্সবাজারে এসেছে তার কোনো পরিসংখ্যান নেই।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জাতীয় একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন,পর্যটনের উদ্দেশ্যে আসা বিদেশিদের আলাদাভাবে শনাক্ত করার মতো কোনো ব্যবস্থা বর্তমান কাঠামোতে নেই। জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলও বিদেশি পর্যটকদের আগমন-প্রবাহ পর্যবেক্ষণ বা তথ্য সংরক্ষণের জন্য আলাদা কোনো ডেটাবেজ গড়ে তুলতে পারেনি।

এর ফলে কক্সবাজারের পর্যটন খাতে বিদেশি পর্যটকদের আগমন সম্পর্কিত সরকারি তথ্য অজানাই রয়ে গেছে।

এদিকে কক্সবাজারে প্রায় ৪০০ বিদেশী নাগরিক অবস্থান করে। যারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক বিভিন্ন এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করে। তাদের নিশ্চয়ই পর্যটক বলা যাবে না। আবার বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে চাকুরি বা কোনোভাবে যুক্ত আছেন এমন অনেক বিদেশীও কক্সবাজারে ঘুরতে আসে তাদেরও পর্যটক বলা যাবে না।

অন্যদিকে সম্প্রতি সাগরে ডুবে সন্তান মারা যাওয়া জার্মানী পরিবার যারা ২ বছর ধরে কক্সবাজার অবস্থান করেছেন তাঁদেরও সঠিক অর্থে পর্যটক বলে গণ্য করা যাবে না।

তবে বিভিন্ন মাধ্যম, ট্র্যাভেল এজেন্ট, ঢাকার কয়েকটি ট্যুর অপারেটরের সাথে কথা বলে একটা সংখ্যা পাওয়া গেছে যে, কতোজন বিদেশী পর্যটক গেলো ১ বছরে কক্সবাজারে এসেছে। সে পরিসংখ্যান বলছে ১০ জনের মতো বিদশেী পর্যটক কক্সবাজারের এসেছে। এদের মধ্যে ৬ জনই ইউটিউবার আর ৪ জন তাদের সঙ্গী বা পরিবারের সদস্য।

তবে বিভিন্ন সূত্রের সাথে যোগাযোগ করে যিনি আনুমানিক সংখ্যাটা দাঁড় করালেন তাঁর সূত্র গুলো সঠিক কি না তা যাচাই করা হয়নি।

তবে ইউটিউব, ফেসবুক,ইনস্টাগ্রামে কক্সবাজার সৈকত নিয়ে কিছু কনটেন্ট দেখতে পাওয়া যায়।
​

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঐক্যবদ্ধ থাকলে আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে গত ১ বছরে এসেছে ১০ জন বিদেশী পর্যটক!

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের অন্যতম ট্যুরিস্ট ডেসটিনেশন কক্সবাজার। দীর্ঘতম সৈকত আছে আছে, আছে সাগর আর পাহাড়ের মিলনস্থল। কিন্তু এখানে বছরে কতোজন পর্যটক আসে তা নিয়ে সঠিক পরিসংখ্যান নেই কারো কাছে। হোটেল মোটেলের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে একটা পরিসংখ্যান পাওয়া যায় বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ পর্যটক কক্সবাজারে আসে।

এই ৫০ লক্ষ পর্যটকের সকলেই দেশী পর্যটক। বিদেশী পর্যটক কতো আসে কক্সবাজারে, এমন প্রশ্নের উত্তর জানা নেই, নেই কোনো ডেটাবেজও।
​
জেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, হোটেল-মোটেল মালিক সমিতি কিংবা পর্যটন করপোরেশন—কারো কাছেই বিদেশি পর্যটক কতোজন কক্সবাজারে এসেছে তার কোনো পরিসংখ্যান নেই।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জাতীয় একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন,পর্যটনের উদ্দেশ্যে আসা বিদেশিদের আলাদাভাবে শনাক্ত করার মতো কোনো ব্যবস্থা বর্তমান কাঠামোতে নেই। জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলও বিদেশি পর্যটকদের আগমন-প্রবাহ পর্যবেক্ষণ বা তথ্য সংরক্ষণের জন্য আলাদা কোনো ডেটাবেজ গড়ে তুলতে পারেনি।

এর ফলে কক্সবাজারের পর্যটন খাতে বিদেশি পর্যটকদের আগমন সম্পর্কিত সরকারি তথ্য অজানাই রয়ে গেছে।

এদিকে কক্সবাজারে প্রায় ৪০০ বিদেশী নাগরিক অবস্থান করে। যারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক বিভিন্ন এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করে। তাদের নিশ্চয়ই পর্যটক বলা যাবে না। আবার বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে চাকুরি বা কোনোভাবে যুক্ত আছেন এমন অনেক বিদেশীও কক্সবাজারে ঘুরতে আসে তাদেরও পর্যটক বলা যাবে না।

অন্যদিকে সম্প্রতি সাগরে ডুবে সন্তান মারা যাওয়া জার্মানী পরিবার যারা ২ বছর ধরে কক্সবাজার অবস্থান করেছেন তাঁদেরও সঠিক অর্থে পর্যটক বলে গণ্য করা যাবে না।

তবে বিভিন্ন মাধ্যম, ট্র্যাভেল এজেন্ট, ঢাকার কয়েকটি ট্যুর অপারেটরের সাথে কথা বলে একটা সংখ্যা পাওয়া গেছে যে, কতোজন বিদেশী পর্যটক গেলো ১ বছরে কক্সবাজারে এসেছে। সে পরিসংখ্যান বলছে ১০ জনের মতো বিদশেী পর্যটক কক্সবাজারের এসেছে। এদের মধ্যে ৬ জনই ইউটিউবার আর ৪ জন তাদের সঙ্গী বা পরিবারের সদস্য।

তবে বিভিন্ন সূত্রের সাথে যোগাযোগ করে যিনি আনুমানিক সংখ্যাটা দাঁড় করালেন তাঁর সূত্র গুলো সঠিক কি না তা যাচাই করা হয়নি।

তবে ইউটিউব, ফেসবুক,ইনস্টাগ্রামে কক্সবাজার সৈকত নিয়ে কিছু কনটেন্ট দেখতে পাওয়া যায়।
​