কক্সবাজার শহরের লাইট হাউজ এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও সড়কের ওপর মাটি ছড়িয়ে পড়ায় সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পরপরই এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় হঠাৎ করে পাহাড়ের বিশাল একটি অংশ বিকট শব্দে নিচে সড়কের ওপর এসে পড়ে। এ সময় রাস্তায় থাকা পথচারী ও চালকরা আতঙ্কে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দুর্ঘটনার পরপরই সড়কজুড়ে মাটির স্তূপ জমা হওয়ায় যানবাহন চলাচল একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা ধরে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
রাসেল নামে এক স্থানীয় পথচারী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “একই স্থানের ওপরের দিকে আরেকটি পাহাড়ের অংশ চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঝুলে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে সেটিও ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।”
এদিকে, পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। স্থানীয়দের দাবি—প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিলে ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পাহাড়ধসের মতো এই সম্ভাব্য বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার জানান, খবর পাওয়ার পরপরই সড়ক পরিষ্কার ও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, “পৌরসভার পক্ষ থেকে দ্রুত গতিতে মাটি সরানোর কাজ চলছে। আশা করছি দ্রুতই সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হবে।”
নোমান অরুপ 

















