ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ মাতারবাড়ি থেকে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট কে আটক করেছে পুলিশ ৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন কলাতলীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার পারিবারিক মামলার শুনানি শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল আপন দুই বোনসহ ৩ জনের উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, সিএনজি জব্দ মাদক মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাশেম গ্রেপ্তার সমিতি পাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার আসামি বাপ্পি গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম ডিবির হাতে গ্রেফতার অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার বনকর্মীরা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ আহত ৫ অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার বনকর্মীরা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ আহত ৫ নতুন পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের প্রস্তুতি, কার বেতন কত বাড়ছে কম খরচে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স করতে পারেন বাউবিতে, নেই বয়সের বাধা বন্যাদুর্গতদের পাশে সেনাবাহিনী, পেকুয়া-চকরিয়ায় দুই হাজারের বেশি মানুষ পেলেন চিকিৎসাসেবা পেকুয়ায় ইউপি সচিবের বাড়িতে ডাকাতি, লুট সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৮ ভরি স্বর্ণ

৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে অতিরিক্ত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাহারছড়া ইউনিয়নের অঘোষিত মানবপাচারের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কচ্ছপিয়া এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের জন্য জমি নির্ধারণ করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার দুটি স্কুল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কচ্ছপিয়া এলাকায় যান। সেখানে তিনি প্রস্তাবিত পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করে জমি নির্ধারণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, মানবপাচার ও অপহরণ রোধে মোট তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হবে।

জমি নির্ধারণকালে উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা, বাহারছড়া উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “অপহরণ ও মানবপাচারের ঝুঁকিতে থাকা এই এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সরকার নতুন তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই এসব পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হবে।”

নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে কচ্ছপিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে এবং মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’

৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন

আপডেট সময় : ০৭:০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে অতিরিক্ত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাহারছড়া ইউনিয়নের অঘোষিত মানবপাচারের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কচ্ছপিয়া এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের জন্য জমি নির্ধারণ করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার দুটি স্কুল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কচ্ছপিয়া এলাকায় যান। সেখানে তিনি প্রস্তাবিত পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করে জমি নির্ধারণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, মানবপাচার ও অপহরণ রোধে মোট তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হবে।

জমি নির্ধারণকালে উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা, বাহারছড়া উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “অপহরণ ও মানবপাচারের ঝুঁকিতে থাকা এই এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সরকার নতুন তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই এসব পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হবে।”

নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে কচ্ছপিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে এবং মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।