সন্ধ্যার মৃদু আলোয় উদ্ভাসিত চটগ্রাম আলিয়ঁস ফ্রঁসেস মিলনায়তনের মঞ্চ। বন্দনায়, প্রার্থনায়, মিনতিতে রবীন্দ্র সুর। রবীন্দ্রনাথের গানের সাথে যেনো একটি সন্ধ্যার মেঘমালা, আবার জোছনা রাতে সবার বনে যাওয়ার প্রেরণা। একে একে গাওয়া হলো ২০ টির অধিক রবীন্দ্র সংগীত।
শুক্রবার সন্ধ্যার নির্মল সময়ে চটগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ও রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী মিশকাতুল মমতাজ মুমুর একক সংগীতানুষ্ঠান, দর্শককুলে তখন পিন পতন নিরবতা, সুরের আবহে যেনো ডুবেছে সময়।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে
আলিয়ঁস ফ্রঁসেস চট্টগ্রাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের চট্টগ্রামের পরিচালক ব্রুনো লাক্রাম্প বলেন, সুরের সাথে, রবীন্দ্র নাথের গানের সাথে এমন আয়োজন সবাইকে কিছুটা সময় মুগ্ধতার ভরে রাখুক। মনকে স্নিগ্ধ রাখুক।
মিশকাতুল মমতাজ মুমুর এই একক সংগীতানুষ্ঠানে তবলায় সুশান্ত কর চৌধুরী, বেহেলায় শ্যামল চন্দ্র দাশ,এষরাজে রেজাউল করিম রেজু,কি বোর্ডে কাঞ্চন দাশ, বাঁশীতে সুজন দাশ, গিটারে মুকেশ ইন্দু,পারকিউশনে ছিলেন সালাউদ্দিন মোহাম্মদ রুবায়েত।
শিল্পী মিশকাতুল মমতাজ মুমু জানান, রবীন্দ্রনাথ সব সময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং চিরায়ত। তাই রবীন্দ্রনাথ আমাদের জীবনবোধে গেঁথে আছে।
ঘড়ির কাটায় রাত তখন ৯ টা, বাদল দিনের প্রথম কদম ফুলের সুরে আয়োজন সাঙ্গ হয় , তবে রেশ তার রয়ে যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















