ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ কেন আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে চান স্পেন কোচ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের পাটের মান বেশি উন্নত: ভারতীয় কৃষিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে নামবে আর্জেন্টিনা, কেন এই জার্সি নিয়ে এত আলোচনা? দায়িত্ববোধ-সচেতনতা তৈরি করা গেলে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা যাবে  দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল! বুধবার পরীক্ষা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩

কক্সবাজারের রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেটকারে করে ইয়াবা পাচারের সময় তিন সদস্যের একটি চক্রকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার এবং চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রামু উপজেলার রামু রাবার বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শালুকিয়া এলাকার সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাউ এলাকার সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম থানার দক্ষিণ বিশিল এলাকার উর্মি আক্তার উষা (১৮)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি সাদা রঙের টয়োটা সিএইচআর (CHR) প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় স্কচটেপ ও টিস্যু পেপার দিয়ে মোড়ানো তিনটি পোটলা থেকে মোট ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। এছাড়া আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন, গাড়ির ফিটনেস সনদ এবং ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল নিশ্চিত করেছেন, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সোমেন মন্ডলের ভাষ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক পাচারের এ কৌশল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং স্টিকারটি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেটকারে করে ইয়াবা পাচারের সময় তিন সদস্যের একটি চক্রকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার এবং চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রামু উপজেলার রামু রাবার বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শালুকিয়া এলাকার সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাউ এলাকার সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম থানার দক্ষিণ বিশিল এলাকার উর্মি আক্তার উষা (১৮)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি সাদা রঙের টয়োটা সিএইচআর (CHR) প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় স্কচটেপ ও টিস্যু পেপার দিয়ে মোড়ানো তিনটি পোটলা থেকে মোট ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। এছাড়া আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন, গাড়ির ফিটনেস সনদ এবং ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল নিশ্চিত করেছেন, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সোমেন মন্ডলের ভাষ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক পাচারের এ কৌশল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং স্টিকারটি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।