ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু, কিশোরীর পর সাবেক স্কুল দপ্তরীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় হেফজখানার শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা উখিয়ার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র টেকনাফে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করবেন : দুই দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন মন্ত্রী সাচিং প্রু দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় জেলায় তিন অগ্নিকাণ্ড হিমঘরে ১০ মরদেহ, ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর, ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি, মামলায় কারাগারে রিসোর্ট ম্যানেজার ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি আলোচিত ইয়াবা মামলার আসামী সলিম উল্লাহ গ্রেফতার সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা

মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের মগডেইল এলাকায় গৃহবধূ কহিনুর আক্তারের (৩২) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার পরপরই এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, নিহতের পরিবারের দাবি এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

গত ১৩ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে কহিনুর আক্তারের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মহেশখালী থানা পুলিশ। পরদিন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে জানাজা সম্পন্ন করে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নিহত কহিনুর আক্তার স্থানীয় আবু বক্করের মেয়ে এবং সৌদি প্রবাসী বশির আহমদের স্ত্রী। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই কন্যা ও এক পুত্রসন্তান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে সন্তানদের ঘুম পাড়িয়ে নিজ কক্ষে ছিলেন কহিনুর। পরিবারের অভিযোগ, ওই সময় এক আত্মীয় বাড়িতে এসে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে যান। কিছু সময় পর সন্তানরা ঘরের ভেতরে কহিনুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং এর সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুস সোলতান বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ সব আলামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ

মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের

আপডেট সময় : ১১:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের মগডেইল এলাকায় গৃহবধূ কহিনুর আক্তারের (৩২) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার পরপরই এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, নিহতের পরিবারের দাবি এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

গত ১৩ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে কহিনুর আক্তারের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মহেশখালী থানা পুলিশ। পরদিন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে জানাজা সম্পন্ন করে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নিহত কহিনুর আক্তার স্থানীয় আবু বক্করের মেয়ে এবং সৌদি প্রবাসী বশির আহমদের স্ত্রী। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই কন্যা ও এক পুত্রসন্তান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে সন্তানদের ঘুম পাড়িয়ে নিজ কক্ষে ছিলেন কহিনুর। পরিবারের অভিযোগ, ওই সময় এক আত্মীয় বাড়িতে এসে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে যান। কিছু সময় পর সন্তানরা ঘরের ভেতরে কহিনুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং এর সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুস সোলতান বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ সব আলামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।