ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটি ধসে নিহত ২ শ্রমিক দূষিত খাবারে বিশ্বজুড়ে বছরে প্রাণহানি ১৫ লাখ, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা পেকুয়ায় বন্দুক, গুলি-কার্তুজসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের সিকিউরিটি রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিকেট কালোবাজারির অভিযোগ পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

সাগরে ছাড়া হলো ৩১৪ সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সাগরে ছাড়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী।

তিনি জানিয়েছেন, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ ও তা থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুরের ভাষ্য, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সামাজিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাগরে ছাড়া হলো ৩১৪ সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সাগরে ছাড়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী।

তিনি জানিয়েছেন, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ ও তা থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুরের ভাষ্য, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।