ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে গোল্ডেন A+ পেল সাদিয়া আফরিন কনক ‎এসএসসি পরীক্ষায় রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের সাফল্য: শতভাগ পাস, ৮ জন জিপিএ-৫ ‎

সাগরে ছাড়া হলো ৩১৪ সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সাগরে ছাড়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী।

তিনি জানিয়েছেন, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ ও তা থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুরের ভাষ্য, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি

সাগরে ছাড়া হলো ৩১৪ সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সাগরে ছাড়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী।

তিনি জানিয়েছেন, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ ও তা থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুরের ভাষ্য, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।