ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা আজ পবিত্র আশুরা টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা দেশে মোট গাঁজাখোর ৬১ লাখ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছে সরকার: নাইক্ষ্যংছড়িতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু লামা পৌরসভার ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি ফরিদ উদ্দিন

সাগরে ছাড়া হলো ৩১৪ সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সাগরে ছাড়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী।

তিনি জানিয়েছেন, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ ও তা থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুরের ভাষ্য, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে ছাড়া হলো ৩১৪ সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সাগরে ছাড়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী।

তিনি জানিয়েছেন, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ ও তা থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুরের ভাষ্য, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।