ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মাছ ধরার ট্রলারডুবি: ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরিফ-সোহেল কে কারাগারে প্রেরণ উখিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে চকরিয়া রাতে ইয়াবাসহ আটক, পরদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আটক হওয়া ব্যক্তি হারলেও উখিয়া দলের যে দৃশ্য হৃদয় ছুঁয়েছে সবার কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ে দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু রামুতে ভোক্তা অধিকার অভিযান : ২৭ হাজার টাকা জরিমানা স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা যাবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ ৮ সপ্তাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ