ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাস ভাড়া বাড়ল কিলোমিটারে ১১ পয়সা, কোন ভাড়া কত হলো বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে শামীম আরা বেগম স্বপ্নাসহ বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ টেকনাফে দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক গ্রেপ্তার ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে জেলা ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ কক্সবাজারে একদিনে চার মরদেহ উদ্ধার, বাড়ছে উদ্বেগ গুপ্ত লিখে ফেইসবুক পোস্ট,উখিয়ায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৩ ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণে ইউপি সদস্যের মুক্তি, পুলিশের দাবি উদ্ধার রামুতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ: মৃত্যুর আগে ভিডিও বার্তায় বাঁচার আকুতি অপহরণের ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার ইউপি সদস্য রুস্তম আলী টেকনাফে যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: অপহরণ চক্র ও পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে তৎপরতা জোরদার আগুন দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশু রাইয়ানের সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক স্লোগান, সুবিধা ও বাস্তবতার রাজনীতি নিখোঁজ সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাস ভাড়া বাড়ল কিলোমিটারে ১১ পয়সা, কোন ভাড়া কত হলো

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ