ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাতামুহুরীতে প্রথমবারের মতো মাদক ও জুয়া বিরোধী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত দুবাইতে চুরি করা টাকার ভাগ নিয়ে জেলে গেলেন রশিদ নগরের চেয়ারম্যান শাহ আলম চকরিয়া ডুলাহাজারা ক্রিড়া সংসদ নির্বাচনে ফজলুর কাদের সভাপতি নির্বাচিত পটিয়ার লুণ্ঠিত চিনি উদ্ধার হলো চকরিয়ার রাসেলের দোকান থেকে – রাসেল ছাত্রদল নাকি শিবির এ নিয়ে দুই ছাত্র সংগঠনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পেকুয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু জামায়াতের দায়িত্বশীল বৈঠকে জেলা আমীর আনোয়ারী- জন আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫৩ পরিবারকে এমপি আলমগীর ফরিদের নগদ অর্থ সহায়তা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের সহযোগিতা চান জাবের আহমদ গং কক্সবাজারে স্বস্তি খুঁজে পায় মিমের মন অচিরেই ইসিএ ও নো ডেভেলপমেন্ট জোনের আইন তুলে নেয়া হবে : এমপি কাজল গেলো ২৪ ঘন্টায় সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৫ কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেলে থাকতে দিলে ব্যবস্থা- সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না পেকুয়ায় লবণাক্ত পানিতে ক্ষতির শঙ্কায় হাজারো কৃষকের ফসল এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় কক্সবাজার কি আছে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাতামুহুরীতে প্রথমবারের মতো মাদক ও জুয়া বিরোধী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ