ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু, কিশোরীর পর সাবেক স্কুল দপ্তরীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় হেফজখানার শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা উখিয়ার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র টেকনাফে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করবেন : দুই দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন মন্ত্রী সাচিং প্রু দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় জেলায় তিন অগ্নিকাণ্ড হিমঘরে ১০ মরদেহ, ডিএনএ টেস্টের পর হস্তান্তর, ঘটনাস্থলে তদন্ত কমিটি, মামলায় কারাগারে রিসোর্ট ম্যানেজার ১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি আলোচিত ইয়াবা মামলার আসামী সলিম উল্লাহ গ্রেফতার সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা
নোমান অরুপের ফিচার

মারাকানা’র বেদনা থেকে ডালাসের মহাকাব্য: পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী ফ্যানবেজ আর্জেন্টিনা

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • 359

​ফুটবল মাঠে কিছু দৃশ্য কখনো পুরনো হয় না। ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই, ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়াম। জার্মানির কাছে অতিরিক্ত সময়ের গোলে বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরে যাওয়ার পর ট্রফির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক বিষণ্ণ জাদুকর। লিওনেল মেসির সেই শূন্য দৃষ্টি আর গাল বেয়ে পড়া জল শুধু আর্জেন্টিনার নয়, বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের বুক ভেঙে দিয়েছিল।

​১২ বছর পর, ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্যপট সম্পূর্ণ উল্টো। একের পর এক ট্রফি জয়, মাঠে অপরাজেয় আধিপত্য আর অধিনায়ক মেসির একের পর এক অতিমানবীয় রেকর্ড—সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী এবং তৃপ্ত ফ্যানবেজের নাম নিঃসন্দেহে ‘আর্জেন্টিনা’। কিন্তু এই সুখের গভীরতা বুঝতে হলে, সমর্থকদের পার হতে হয়েছে এক নরকতুল্য কষ্টের নদী।

​‘না পাওয়ার’ সেই অন্ধকার অধ্যায়: মারাকানা থেকে ডালাস:
​আর্জেন্টাইন সমর্থকদের বর্তমান আনন্দের ভিত্তিপ্রস্তর তৈরি হয়েছে মূলত বিগত এক দশকের তীব্র যন্ত্রণার ওপর ভর করে।

​২০১৪-এর মারাকানা ট্র্যাজেডি: ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে একের পর এক সুযোগ মিস এবং শেষ মুহূর্তের গোল। ট্রফির এত কাছে গিয়েও তা ছুঁতে না পারার কষ্টটা ছিল সমর্থকদের জন্য আজীবন বয়ে বেড়ানোর মতো ক্ষত।

​কোপা আমেরিকার জোড়া ফাইনাল বিপর্যয় (২০১৫ ও ২০১৬): বিশ্বকাপের সেই ক্ষত দগদগে থাকতেই পর পর দুই বছর চিলির কাছে কোপা আমেরিকার ফাইনালে টাইব্রেকারে হার। বিশেষ করে ২০১৬ সালে পেনাল্টি মিস করার পর মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টাইন ফ্যানবেজকে এক গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।
​টানা তিনটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও শূন্য হাতে ফেরা—ফুটবল ইতিহাসে কোনো শক্তিশালী দলের সমর্থকরা বোধহয় এতটা মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাননি। ‘আর্জেন্টিনা শুধু ফাইনালে উঠে হারতেই জানে’—এমন নির্মম ট্রোল তখন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী।

​দুঃখের দিন ফুরালো: মারাকানাতেই শুরু হলো রাজত্ব
​যে মারাকানায় ২০১৪ সালে কান্না দিয়ে গল্প শেষ হয়েছিল, ২০২১ সালে সেই মারাকানাতেই চাকা ঘোরে আর্জেন্টিনার ভাগ্যের। ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা জয় দিয়ে শুরু হয় আলবিসেলেস্তেদের এক নতুন যুগ। এরপর ২০২২ সালে কাতারের মরুভূমিতে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে সোনালী বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন মেসি।

​মাঠের সেই ধারাবাহিকতা আর সাফল্যের ক্ষুধা যে ২০২৬ সালেও বিন্দুমাত্র কমেনি, তার প্রমাণ মিলছে আমেরিকার মাটিতে চলমান বিশ্বকাপে।

​২০২৬ বিশ্বকাপ: মেসির অতিমানবীয় ফর্ম ও রেকর্ডের মেলা
​চলমান বিশ্বকাপে লিওনেল স্কালোনির দল খেলছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মতোই। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে মিশন শুরু করে তারা, যেখানে দেখা মেলে মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকের।

​সেই রাজকীয় ছন্দ ধরে রেখে ২২ জুন টেক্সাসের ডালাসে (এটিকেঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম) অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচেও ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচেও জোড়া গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন মেসি। আর এই জোড়া গোলের ওপর ভর করেই তিনি গড়েছেন এক অনন্য ইতিহাস। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসেকে (১৬ গোল) টপকে ১৮ গোল নিয়ে এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি। একই সাথে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বুটের রেসেও তিনি সবার আগে।

​এক নজরে ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও মেসির তাণ্ডব:

​প্রথম ম্যাচ: আলজেরিয়া ০-৩ আর্জেন্টিনা (মেসির হ্যাটট্রিক)
​দ্বিতীয় ম্যাচ (২২ জুন): অস্ট্রিয়া ০-২ আর্জেন্টিনা (মেসির জোড়া গোল)
​সর্বকালের সেরা রেকর্ড: ১৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি।

​কান্না থেকে কাব্যের রূপান্তর:
​এক দশক আগে যে ফ্যানবেজটি প্রতিটি টুর্নামেন্টের শেষে ট্রল আর অপমানের শিকার হতো, আজ তারাই ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে ঈর্ষণীয় অবস্থানে। ব্রাজিল, জার্মানি বা ইতালির মতো পরাশক্তিরা যখন মাঠের পারফরম্যান্সে নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে, তখন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা কাটাচ্ছেন এক অবিশ্বাস্য সুন্দর ও নিরবচ্ছিন্ন উৎসবের সময়।

​২০১৪ সালের সেই শূন্য দৃষ্টির মেসি আজ ১৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের রাজা। আর সে কারণেই, অতীতে যারা সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিল, বুক ফুলিয়ে নিজেদের ‘বিশ্বসেরা’ দাবি করার এই পরম সুখ এখন কেবল তাদের ভাগ্যেই জুটেছে। কষ্টের রাত পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ফ্যানবেজে এখন শুধুই সোনালী ভোরের আলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের প্রতিবাদ

নোমান অরুপের ফিচার

মারাকানা’র বেদনা থেকে ডালাসের মহাকাব্য: পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী ফ্যানবেজ আর্জেন্টিনা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

​ফুটবল মাঠে কিছু দৃশ্য কখনো পুরনো হয় না। ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই, ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়াম। জার্মানির কাছে অতিরিক্ত সময়ের গোলে বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরে যাওয়ার পর ট্রফির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক বিষণ্ণ জাদুকর। লিওনেল মেসির সেই শূন্য দৃষ্টি আর গাল বেয়ে পড়া জল শুধু আর্জেন্টিনার নয়, বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের বুক ভেঙে দিয়েছিল।

​১২ বছর পর, ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্যপট সম্পূর্ণ উল্টো। একের পর এক ট্রফি জয়, মাঠে অপরাজেয় আধিপত্য আর অধিনায়ক মেসির একের পর এক অতিমানবীয় রেকর্ড—সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী এবং তৃপ্ত ফ্যানবেজের নাম নিঃসন্দেহে ‘আর্জেন্টিনা’। কিন্তু এই সুখের গভীরতা বুঝতে হলে, সমর্থকদের পার হতে হয়েছে এক নরকতুল্য কষ্টের নদী।

​‘না পাওয়ার’ সেই অন্ধকার অধ্যায়: মারাকানা থেকে ডালাস:
​আর্জেন্টাইন সমর্থকদের বর্তমান আনন্দের ভিত্তিপ্রস্তর তৈরি হয়েছে মূলত বিগত এক দশকের তীব্র যন্ত্রণার ওপর ভর করে।

​২০১৪-এর মারাকানা ট্র্যাজেডি: ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে একের পর এক সুযোগ মিস এবং শেষ মুহূর্তের গোল। ট্রফির এত কাছে গিয়েও তা ছুঁতে না পারার কষ্টটা ছিল সমর্থকদের জন্য আজীবন বয়ে বেড়ানোর মতো ক্ষত।

​কোপা আমেরিকার জোড়া ফাইনাল বিপর্যয় (২০১৫ ও ২০১৬): বিশ্বকাপের সেই ক্ষত দগদগে থাকতেই পর পর দুই বছর চিলির কাছে কোপা আমেরিকার ফাইনালে টাইব্রেকারে হার। বিশেষ করে ২০১৬ সালে পেনাল্টি মিস করার পর মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টাইন ফ্যানবেজকে এক গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।
​টানা তিনটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও শূন্য হাতে ফেরা—ফুটবল ইতিহাসে কোনো শক্তিশালী দলের সমর্থকরা বোধহয় এতটা মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাননি। ‘আর্জেন্টিনা শুধু ফাইনালে উঠে হারতেই জানে’—এমন নির্মম ট্রোল তখন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী।

​দুঃখের দিন ফুরালো: মারাকানাতেই শুরু হলো রাজত্ব
​যে মারাকানায় ২০১৪ সালে কান্না দিয়ে গল্প শেষ হয়েছিল, ২০২১ সালে সেই মারাকানাতেই চাকা ঘোরে আর্জেন্টিনার ভাগ্যের। ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা জয় দিয়ে শুরু হয় আলবিসেলেস্তেদের এক নতুন যুগ। এরপর ২০২২ সালে কাতারের মরুভূমিতে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে সোনালী বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন মেসি।

​মাঠের সেই ধারাবাহিকতা আর সাফল্যের ক্ষুধা যে ২০২৬ সালেও বিন্দুমাত্র কমেনি, তার প্রমাণ মিলছে আমেরিকার মাটিতে চলমান বিশ্বকাপে।

​২০২৬ বিশ্বকাপ: মেসির অতিমানবীয় ফর্ম ও রেকর্ডের মেলা
​চলমান বিশ্বকাপে লিওনেল স্কালোনির দল খেলছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মতোই। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে মিশন শুরু করে তারা, যেখানে দেখা মেলে মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকের।

​সেই রাজকীয় ছন্দ ধরে রেখে ২২ জুন টেক্সাসের ডালাসে (এটিকেঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম) অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচেও ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচেও জোড়া গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন মেসি। আর এই জোড়া গোলের ওপর ভর করেই তিনি গড়েছেন এক অনন্য ইতিহাস। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসেকে (১৬ গোল) টপকে ১৮ গোল নিয়ে এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি। একই সাথে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বুটের রেসেও তিনি সবার আগে।

​এক নজরে ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও মেসির তাণ্ডব:

​প্রথম ম্যাচ: আলজেরিয়া ০-৩ আর্জেন্টিনা (মেসির হ্যাটট্রিক)
​দ্বিতীয় ম্যাচ (২২ জুন): অস্ট্রিয়া ০-২ আর্জেন্টিনা (মেসির জোড়া গোল)
​সর্বকালের সেরা রেকর্ড: ১৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি।

​কান্না থেকে কাব্যের রূপান্তর:
​এক দশক আগে যে ফ্যানবেজটি প্রতিটি টুর্নামেন্টের শেষে ট্রল আর অপমানের শিকার হতো, আজ তারাই ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে ঈর্ষণীয় অবস্থানে। ব্রাজিল, জার্মানি বা ইতালির মতো পরাশক্তিরা যখন মাঠের পারফরম্যান্সে নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে, তখন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা কাটাচ্ছেন এক অবিশ্বাস্য সুন্দর ও নিরবচ্ছিন্ন উৎসবের সময়।

​২০১৪ সালের সেই শূন্য দৃষ্টির মেসি আজ ১৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের রাজা। আর সে কারণেই, অতীতে যারা সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিল, বুক ফুলিয়ে নিজেদের ‘বিশ্বসেরা’ দাবি করার এই পরম সুখ এখন কেবল তাদের ভাগ্যেই জুটেছে। কষ্টের রাত পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ফ্যানবেজে এখন শুধুই সোনালী ভোরের আলো।