ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার নজরুল বর্ষ ঘিরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে ৬৪ জেলায়: সংস্কৃতিমন্ত্রী দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল ‘এগিয়ে চলো ব্রাজিল’, সতীর্থদের প্রতি নেইমার বিশ্বকাপ জিততে এসেছি, ব্যক্তিগত পুরস্কার নয়: ভিনিসিয়ুস প্রায় ১৪ ঘণ্টার সফর শেষে ঢাকা ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে ব্লু ইকনোমি ও মেরিন সাইন্স বিষয়ে স্পেশালাইজড বিশ্ববিদ্যালয় ১৫-২০ বছর আগে হওয়া উচিত ছিলো- প্রধানমন্ত্রী ব্রাজিলকে ‘আমরা ভয় পাই না’: হাকিমি

১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম

কক্সবাজারের ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের অন্যতম কান্ডারি, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা মোঃ শাহ আলম (প্রকাশ নেতা শাহ আলম)-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দীর্ঘ ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পরিবার, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের স্মৃতিতে আজও অমলিন হয়ে আছেন এই জননন্দিত নেতা। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আবেগে তাঁকে স্মরণ করছেন এলাকাবাসী।

রাজনৈতিক জীবনে শাহ আলম ছিলেন আদর্শনিষ্ঠ, সাহসী ও সংগ্রামী এক নেতা। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দুঃসময়ে তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দলের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে নেতা-কর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছিল।

চট্রগ্রাম সিটি কলেজের ছাত্ররাজনীতিতেও ছিল তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি। সমসাময়িকদের মতে, ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি ছিলেন দল-মতের ঊর্ধ্বে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তাঁর ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক আচরণের কারণে প্রতিপক্ষের কাছেও তিনি ছিলেন সম্মানিত। কলেজ ক্যাম্পাসের রাজনীতির ইতিহাসে তাঁর অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তৎকালীন ছাত্রনেতা, সহপাঠী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শাহ আলম শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন পরিবারের অভিভাবক, সাহসের উৎস ও অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর অকাল প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাঁকে গভীরভাবে অনুভব করেন তাঁর স্বজনরা।

এদিকে শাহ আলমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের অনেকেই বর্তমানে মেয়র, চেয়ারম্যান, সচিবসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণে শাহ আলমের সঙ্গে কাটানো দিনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তাঁরা বলেন, সততা, বন্ধুত্ব, সাহসিকতা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার জন্য শাহ আলম ছিলেন সবার কাছে অনুকরণীয় একজন মানুষ।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

পরিবারের প্রত্যাশা, মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুম শাহ আলমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর সকল নেক আমল কবুল করুন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের অন্যতম কান্ডারি, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা মোঃ শাহ আলম (প্রকাশ নেতা শাহ আলম)-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দীর্ঘ ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পরিবার, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের স্মৃতিতে আজও অমলিন হয়ে আছেন এই জননন্দিত নেতা। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আবেগে তাঁকে স্মরণ করছেন এলাকাবাসী।

রাজনৈতিক জীবনে শাহ আলম ছিলেন আদর্শনিষ্ঠ, সাহসী ও সংগ্রামী এক নেতা। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দুঃসময়ে তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দলের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে নেতা-কর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছিল।

চট্রগ্রাম সিটি কলেজের ছাত্ররাজনীতিতেও ছিল তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি। সমসাময়িকদের মতে, ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি ছিলেন দল-মতের ঊর্ধ্বে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তাঁর ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক আচরণের কারণে প্রতিপক্ষের কাছেও তিনি ছিলেন সম্মানিত। কলেজ ক্যাম্পাসের রাজনীতির ইতিহাসে তাঁর অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তৎকালীন ছাত্রনেতা, সহপাঠী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শাহ আলম শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন পরিবারের অভিভাবক, সাহসের উৎস ও অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর অকাল প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাঁকে গভীরভাবে অনুভব করেন তাঁর স্বজনরা।

এদিকে শাহ আলমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের অনেকেই বর্তমানে মেয়র, চেয়ারম্যান, সচিবসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণে শাহ আলমের সঙ্গে কাটানো দিনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তাঁরা বলেন, সততা, বন্ধুত্ব, সাহসিকতা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার জন্য শাহ আলম ছিলেন সবার কাছে অনুকরণীয় একজন মানুষ।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

পরিবারের প্রত্যাশা, মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুম শাহ আলমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর সকল নেক আমল কবুল করুন।