ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মহেশখালীতে শহীদ তানভীরের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন পেকুয়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আবারো এক শিশুর মৃত্যু কলাতলীতে পাহাড় ধসে ৫ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত : আহত ৩ মেরিন ড্রাইভে মিনিট্রাক উল্টে আহত ৮ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় এমপি স্বপ্না- গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে এখন গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: অপহৃত ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের দুই বছর: শহীদ ওয়াসিমের কবরে প্রশাসনের শ্রদ্ধা বাংলাদেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের আর ২৪’র গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতা রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি : নাহিদ ইসলাম জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে: ড. ইউনূস

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মহেশখালীতে শহীদ তানভীরের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।