ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝ আকাশে ইসরায়েলগামী বিমানের পাইলটকে ছুরিকাঘাত, তবুও যেভাবে বেঁচে ফিরল ১৮০ যাত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস: জামিন পেলেন গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববাজারে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছাড়াল ১০৩ ডলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোন অভিযানের জন্য প্রস্তুত পুলিশ উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত উখিয়ার পালংখালী থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান: ৫ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমনে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে! কলাতলীতে বাতিল প্লটে মার্কেট নির্মাণ, কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য কুতুবদিয়ায় বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ টেকনাফে বজ্রপাতে কৃষক আহত

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাঝ আকাশে ইসরায়েলগামী বিমানের পাইলটকে ছুরিকাঘাত, তবুও যেভাবে বেঁচে ফিরল ১৮০ যাত্রী

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।