ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল! বুধবার পরীক্ষা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা মাতারবাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ: ‘আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি পরিবারের কুতুবদিয়ায় নিহত জেলে পরিবারের পাশে ইউএনও: আর্থিক সহায়তা প্রদান কক্সবাজার থেকে অস্ত্র কিনে নিয়ে যাচ্ছিল ঢাকায় : লোহাগাড়ায় পুলিশের হাতে দুটি অস্ত্রসহ আটক ৩ মাথাগোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে লোহাগাড়ার আবদুল বারীর আর্তনাদ, — পাশে দাঁড়ানোর আকুতি এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কক্সবাজারে পাঁচ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

মিন্টো রোডের সেই স্মৃতি বিজড়িত দালানে কি উঠবেন বিরোধীদলীয় নেতা?

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ